ঢাকা, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬

2019-09-18

, ১৮ মহররম ১৪৪১

দেশের কিছু আলোকচিত্রির বিশ্বখ্যাতি অর্জন

প্রকাশিত: ১০:১০ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ আপডেট: ১২:০৫ , ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কাজী বাপ্পা: দেশের কিছু আলোকচিত্রি বর্তমানে কাজ করছেন আন্তর্জাতিক পর্যায়েও যা গৌরবের ব্যাপার। আলোচকচিত্রের অগ্রযাত্রায় দেশে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে তাদের রয়েছে নানা পরামর্শ।

ছবির মান থেকে দেখে ২০০০ সালে ফ্রান্সভিত্তিক বার্তা সংস্থা- এএফপি তাদের ফটোসাংবাদিক হিসেবে নিয়োগ দেন বাংলাদেশের দৈনিক জনকন্ঠের আলোকচিত্রী জুয়েল সামাদকে। পরবর্তিতে একই সংস্থা থেকে তাকে পাঠানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ভবন হোয়াইট হাউসে, এএফপি’র আলোকচিত্র প্রতিনিধি হিসেবে। বর্তমানে সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়া অংশের প্রধান ফটোসাংবাদিক হিসেবে কর্মরত জুয়েল সামাদ।

দেশের আরেক ফটোসাংবাদিক মোহাম্মদ পনীর হোসেন কর্মরত আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সে। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তার তোলা বেশ কিছু ছবি সাড়া ফেলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। সেই ছবিই তার জন্য ছিনিয়ে আনে সাংবাদিকতায় নোবেল খ্যাত পুলিৎজার পুরস্কার। আন্তর্জাতিকখ্যাতি সম্পন্ন এই ফটোসাংবাদিকের মতে বর্তমানে দেশেই রয়েছে সুদক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন আলোকচিত্রি।

দেশের আলোকিচিত্র জগত নিয়ে অনেক গর্বের বিষয় যেমন আছে তেমনি এই খাতে কাজ করার ক্ষেত্রে এখনো রয়েছে নানা রকমের প্রতিবন্ধকতা।  

সব বাধা টপকে আলোকচিত্র এই খাতকে এগিয়ে নিতে রয়েছে অভিজ্ঞজনদের পরামর্শ।

বর্তমানে আলোকচিত্র ও আলোকচিত্রির কদর এবং সমাদর বিশ্বজুড়ে। সেই তুলনায় এখনো পিছিয়ে দেশের আলোকচিত্র খাত। আলোকচিত্রের কাজের পরিধি ও মানদন্ডের বিচারে এ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রসারে সবাই তাগিদ দেন।

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্পানের মাঝি হওয়াও ছিল বড় পেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপদগুলোতে কৃষিকাজ বা মাছ ধরার পাশাপাশি বড় পেশা ছিল সাম্পানের মাঝি হওয়া। তাই একসময় বিপুল জনগোষ্ঠীর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is