ঢাকা, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩১ ভাদ্র ১৪২৬

2019-09-15

, ১৫ মহররম ১৪৪১

৩৩ বছরেও কথা রাখতে পারেনি বিকেএসপি 

প্রকাশিত: ০৯:৪৭ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ আপডেট: ১১:৫৯ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

এস.এম সুমন: দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-বিকেএসপি এখন ৩৩ বছরের যুবক। কিন্তু যৌবনেই তার বার্ধক্যের সুর। সাফল্য-ব্যর্থতার হিসেব কষতে গিয়ে আক্ষেপ আর হতাশার দীর্ঘশ্বাসই বেশি। এমনটা হবার কথা ছিল না। স্বপ্নটা ছিল বড়, ছিল গর্ব করার মত ব্যাপার। তাহলে কোথায়, কেন হোঁচট খেলো এই স্বপ্নযাত্রা। 

রাজধানীর অদূরে সাভারে ১৯৮৬ সালে বিকেএসপির প্রতিষ্ঠা ছিল বিশাল গর্বের। কেননা তখন দক্ষিণ এশিয়ায়-তো বটেই ধারণা ছিল এশিয়াতেও এমন রাষ্ট্রীয় ক্রিড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। যা শুরুর প্রথম চিন্তা ক্রিড়াবিদ পেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর কাছে।  

জাতীয় ফুটবল দল সাবেক ফুটবলার গোলাম সারোয়ার টিপু তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ইউসুফ আলীকে বলেছিলেন ঢাকার আশেপাশে একটি জায়গা দেখতে যেখানে অনেকে একসাথে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। সেই প্রেক্ষিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব স্পোর্টস-বিআইএস প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেয়। বাস্তবায়ন হয় ১৯৭৬ সালে। পরে নাম পাল্টে সেটাকেই করা হয় বিকেএসপি। সাভারের জিরানীতে ১’শ ১৫ একর জমির উপর এই প্রতিষ্ঠান, ১৯৮৬ সালে যাত্রা শুরু করে ফুটবল ও হকি দিয়ে। বিকেএসপির সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল লতিফ খান এবং বিকেএসপির সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ ফারুকুল ইসলাম শুরুর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে কথা বলেছেন, কেন, কি কারণে এই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়, অবকাঠামো কেমন ছিলো জানালেন।

জার্মানির লিপজিগ স্পোর্টস ইন্সটিটিউটের আদলে গড়া বিকেএসপি। লক্ষ্য ছিল প্রশিক্ষক এবং ক্রীড়াবিদ একসাথে তৈরি করা। একরাশ স্বপ্ন নিয়ে তখন ভর্তি হয়েছিলো শিক্ষার্থীরা। ভালো কিছু উপহার দেয়ার স্বপ্ন ছিলো অভিষেকের প্রশিক্ষকদেরও। বিকেএসপি’র প্রথম ব্যাচের খেলোয়াড় মাসুদ রানা ও মামুনুর রশিদ জানালেন এইসব কথা। বিকেএসপি শুরুর দিকের প্রশিক্ষক নাজমুল আবেদীন ফাহিমও তাদের সাথে সুর মেলালেন।

বিশ্বমানের ক্রীড়াবিদ ও প্রশিক্ষক গড়ার যে উদ্দেশ্য ও স্বপ্ন ছিলো তা অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে দেশের একমাত্র স্বীকৃত ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনাহীন পথচলা ও চরম অবহেলায়। 

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্পানের মাঝি হওয়াও ছিল বড় পেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপদগুলোতে কৃষিকাজ বা মাছ ধরার পাশাপাশি বড় পেশা ছিল সাম্পানের মাঝি হওয়া। তাই একসময় বিপুল জনগোষ্ঠীর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is