ঢাকা, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩১ ভাদ্র ১৪২৬

2019-09-15

, ১৫ মহররম ১৪৪১

বিকেএসপির ১৭টি বিভাগেই হতাশার চিত্র 

প্রকাশিত: ০৯:৪৯ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ আপডেট: ১১:৫৯ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

এস. এম. সুমন: এক সময় বিকেএসপি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কিছু সাফল্য পেলেও তা এখন অতীতের গল্প মাত্র।  কেননা সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি। যাত্রার প্রায় দেড় দশক ঘুরতে না ঘুরতেই। ১৭টি খেলার বিভাগ থাকলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিকেএসপির গড়া কিছু ক্রিকেটার দেশের হয়ে এখনও আলো ছড়াচ্ছেন, এটাই সবচে বড় সান্ত্বনার জায়গা। 

ফুটবল ও হকি দিয়ে যাত্রা শুরু করা বিকেএসপিতে এখন ১৭টি খেলার বিভাগ আছে। মোট শিক্ষার্থী প্রায় ১২’শ। এরমধ্যে সাভারে আছে প্রায় ৮’শ শিক্ষার্থী। অন্যরা পাঁচটি আঞ্চলিক বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। 

বিকেএসপির গর্ব করার মত সাফল্যের মধ্যে আশির দশকের শেষে দেশের বাইরেজয় করা বয়স ভিত্তিক ডানা ও গোথিয়া পুটবল কাপ। যদিও সেই সাফল্য নিয়ে আছে বিতর্ক।   ফুটবলার মাসুদ রানা, হাসান আল মামুন, ক্রিকেটে দেশের অভিষেক টেস্টের অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দূর্জয়, জতীয় দলকে নেতৃত্ব দেয়া হকি’র মামুনুর রশিদ, ৯৩’র সাফ গেমসে পদক জয়ী স্প্রিন্টার বিমল চন্দ্র তরফদার ও সাঁতারু মিজানুর রহমান, ২০০২ সালে ম্যানচেস্টার কমনওয়েলথ গেমসের শ্যুটিংয়ে স্বর্ণপদক জয়ী আসিফ খান, ২০০৪ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট দিয়ে আত্মপ্রকাশ ঘটা দেশের ক্রিকেট নায়ক সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম বিকেএসপির গর্ব। 

যাত্রার শুরুতে কঠোর নিয়ম কানুন এবং ভালো কিছু করার স্পৃহা জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য আনতে সহায়তা করেছিল বলে সংশ্লিষ্টদের পর্যবেক্ষণ।  

সময়ের বিবর্তনে বিকেএসপি’র অবকাঠামোগত চাকচিক্য দারুণ নজর কাড়া হয়ে উঠেছে, তবে প্রতিষ্ঠার প্রথম দেড় দশকের কাজের সাফল্য যতটুকু উজ্জ্বল ছিল তা ক্রমেই মলিন ও ফিকে হয়েছে।  

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্পানের মাঝি হওয়াও ছিল বড় পেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপদগুলোতে কৃষিকাজ বা মাছ ধরার পাশাপাশি বড় পেশা ছিল সাম্পানের মাঝি হওয়া। তাই একসময় বিপুল জনগোষ্ঠীর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is