ঢাকা, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩১ ভাদ্র ১৪২৬

2019-09-15

, ১৫ মহররম ১৪৪১

আগ্রহ হারাচ্ছে বিকেএসপি’র শিক্ষা প্রত্যাশীরা 

প্রকাশিত: ০৯:৫৩ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ আপডেট: ১২:০০ , ০৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাফল্যের তুলনায় ব্যর্থতা বেশি হওয়ায় ক্রমেই বিকেএসপি’র প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে শিক্ষা প্রত্যাশীরা। কর্তৃপক্ষ বলছে, নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করে বিকেএসপিকে আরো গতিশীল করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির জবাবদিহীতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্র“তি দিচ্ছে যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সংসদীয় কমিটি। 

সকাল থেকে সন্ধ্যা অব্দি প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অধ্যায়নও চলে সুন্দর করে সাজানো গোছানো  বিকেএসপিতে। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আছে পৃথক, স্বাস্থ্যসম্মত আবাসন। তার মান এবং প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোন অভিযোগ নেই। বাজেটের বেশিরভাগ যায় তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রমে। সরকারী বরাদ্দ ছাড়াও বিকেএসপি’র আছে নিজস্ব আয়। এসবের পরও ভালোমানের প্রশিক্ষক ও দক্ষ ক্রীড়াবিদ তৈরি না হওয়াটা দুঃখজনক মনে করেন ক্রীড়াঙ্গন সংশ্লিষ্ট অনেকে। 

জাতীয় ক্রিকেট দলে পেস বোলারের সংকট । বিকেএসপি থেকে প্রত্যাশিত মানের বোলার পাওয়া যায়নি। ফুটবলেও একই চিত্র। বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ে একজন ক্রীড়াবিদও নেই জুডো, জিমন্যাস্টিকস, টেবিল টেনিস, তায়কোয়ান্ডোতে। ফলে বিকেএসপি’র প্রতি আকর্ষণ কমছে আগ্রহীদের। 

বিকেএসপিতে ভালো মানের প্রশিক্ষকের অভাবের বিষয়টি অস্বীকার করে না কর্তৃপক্ষ। ভাল বিদেশী প্রশিক্ষক আনার পাশাপাশি, আঞ্চলিক শাখাগুলোকে গতিশীল করার উদ্যোগ আছে বলে জানালেন বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রাশিদুল হাসান ও অধ্যক্ষ লে, কর্নেল মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির।

ক্রীড়া বিষয়ক সংসদীয় কমিটি বিকেএসপির কার্যক্রম নজরে রাখার পাশাপাশি এগিয়ে নেয়ার জন্য ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী।

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রাম অঞ্চলে সাম্পানের মাঝি হওয়াও ছিল বড় পেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম অঞ্চলের জনপদগুলোতে কৃষিকাজ বা মাছ ধরার পাশাপাশি বড় পেশা ছিল সাম্পানের মাঝি হওয়া। তাই একসময় বিপুল জনগোষ্ঠীর...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is