ঢাকা, রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩১ ভাদ্র ১৪২৬

2019-09-15

, ১৫ মহররম ১৪৪১

৭ মাসে বজ্রপাতে ২৪৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ০৫:৩১ , ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ আপডেট: ১০:৩৩ , ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত সারাদেশে বজ্রপাতে ২৪৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছে ‘সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম’ নামক একটি সংগঠন। রোববার (০৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর পুরানা পল্টনের রিসোর্সফুল পল্টন সিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

তারা বলছেন, এই সাত মাসে বজ্রাঘাতে আহত হয়েছেন ৯৭ জন এবং নিহতদের মধ্যে ৩০ জন নারী, ৬ জন শিশু, ৮ জন কিশোর-কিশোরী রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফেব্রুয়ারি মাসে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন ১১ জন। এর মধ্যে ১০ জন পুরুষ এবং ১ জন নারী। এ মাসে আহত হয়েছেন ৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪, নারী ২ এবং কিশোর কিশোরী ২ জন।

মার্চ মাসে নিহত হয়েছেন ৫ জন। এর মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ২ জন শিশু। আহত হয়েছেন ৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১ জন এবং শিশু ২ জন। এপ্রিলে ২০ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৭ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ১ জন কিশোর-কিশোরী। এ মাসে আহত হয়েছেন ৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৭ জন এবং নারী ১ জন।

মে মাসে নিহত হয়েছেন ৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৮ জন, নারী ৮ জন, শিশু ১ জন এবং কিশোর-কিশোরী ৩ জন। আহত হয়েছেন ২৪ জন। তার মধ্যে পুরুষ ১৫ জন, নারী ৭ জন ও শিশু ২ জন। জুন মাসে নিহত হয়েছেন ৬৬ জন। এর মধ্যে নারী ১১ জন, শিশু ৩ জন, কিশোর-কিশোরী ২ জন এবং ৫০ জন পুরুষ। এ মাসে আহত হয়েছেন ১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১২ জন, নারী ২ জন, শিশু ৩ জন এবং কিশোর-কিশোরী ১ জন।

জুলাই মাসে নিহত হয়েছেন ৪৭ জন। এর মধ্যে নারী ৪ জন এবং ৪৩ জনই পুরুষ। আহত হয়েছেন ২৫ জন। এর মধ্যে ২ জন নারী এবং ২৩ জনই পুরুষ রয়েছে। এছাড়া আগস্ট মাসে বজ্রপাতে মোট ৩৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৪ জন নারী, ২ জন কিশোর-কিশোরী ও ৩১ জন পুরুষ রয়েছে। এছাড়া এ মাসে আহত হয়েছেন ১১ জন। এর মধ্যে ৭ জন পুরুষ, ২ জন নারী, ১ জন শিশু ও ১ জন কিশোর কিশোরী রয়েছে।

আয়োজকরা জানান, এ বছর সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে সাতক্ষীরা জেলায়। এ জেলায় চলতি বছর ২২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া কিশোরগঞ্জ, পাবনা, সুনামগঞ্জ, কক্সবাজার, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও টাঙ্গাইল জেলায় বজ্রপাতে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে। এরপর বেশি নিহত হয়েছে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় মাছ ধরতে গিয়ে। এছাড়া পর্যায়ক্রমে মাঠে গরু আনতে গিয়ে এবং টিন ও খড়ের ঘরে অবস্থান ও ঘুমানোর সময় বজ্রাঘাতে বেশি মানুষ মারা গেছে। একই সঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় অজ্ঞতাবসত লম্বা গাছের নিচে আশ্রয় নেয়ায় গাছে বজ্রপাত হওয়ায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।

সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের জাতীয় এবং আঞ্চলিক দৈনিক পত্রিকা, কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও টেলিভিশনের স্ক্রল থেকে বজ্রপাতে হতাহতের সকল তথ্য সংগ্রহ করেছেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নির্বাহী সদস্য মাসুদ রানার সঞ্চালনায় প্রতিবেদন পাঠ করেন সংগঠনের সেক্রেটারি রাশিম মোল্লা। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের গবেষণা সেলপ্রাধান আব্দুল আলীম, সহ-সভাপতি সোহেল রানা, তিতুমীর কলেজ ইউনিট সদস্য হাসনাইন আহমেদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কলেজের সদস্য জুবাইর হুসাইন।

এই বিভাগের আরো খবর

সিলেটে পাহাড় কেটে আবাসন প্রকল্প, নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ

সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটে অবৈধভাবে পাহাড় কাটছে প্রভাবশালী মহল। পাহাড় কেটে প্লট তৈরি করে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলা হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ ও...

জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজনের উপায় খোঁজার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক: জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজনের উপায় উদ্ভাবনের জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দর প্রতি জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is