রিমান্ডে খালেদ ও শামীমের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য

প্রকাশিত: ০২:২১, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০৪:৪৩, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ফররুখ বাবু: রাজধানীতে অবৈধ ক্যাসিনো চালানোর নেপথ্যে কারা সে সম্পর্কে গোয়েন্দাদের কাছে মুখ খুলতে শুরু করেছেন রিমান্ডে থাকা যুবলীগের দুই নেতা। রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিবি কার্যালয়ে যুবলীগ নেতা খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া ও জি কে শামীম জিজ্ঞাসাবাদে ক্যাসিনো ও টেন্ডারবাজি সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ন তথ্য দিচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মোটা অংকের টাকা ঘুষ দিয়ে বড় বড় কাজ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন জি কে শামীম।

ঢাকার ক্রীড়া ক্লাবের আড়ালে চলে আসা অবৈধ জুয়া খেলার নিয়ন্ত্রণে ছিলো ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালীরা। ফকিরাপুল ইয়ংম্যান্স ক্লাবে ক্যাসিনো চালানোর অভিযোগে যুবলীগ নেতা খালেদ ভূইয়া এবং অস্ত্র ও টেন্ডারবাজির অভিযোগে জি কে শামীমকে গ্রেফতারের পর এর নেপথ্যের প্রভাবশালীদের খোঁজ খবর শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বহিনী।

পুলিশের গোয়েন্দা হেফাজতে রিমান্ডে থাকা যুবলীগের এই দুই নেতা মুখ খুলতে শূরু করেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে স্বীকার করেছেন, মতিঝিল এলাকার ছয়টি ক্লাবে ক্যাসিনোর নিয়ন্ত্রণ করতো যুবলীগের নেতারা।

ওয়ান্ডারার্স ক্লাব, আরামবাগ ও দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাবে ক্যাসিনো চালানোর জন্য ইতিমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ কে মমিনুল হক সাঈদের নাম প্রকাশ হয়েছে। আরো অনেকের নাম গোয়েন্দাদের কাছে থাকলেও তা এখনই প্রকাশ করছে না তারা।

এদিকে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়া আরেক যুবলীগ নেতা জিকে শামীমের প্রভাব প্রতিপত্তির পেছনে কারা তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন গোয়েন্দারা।

 

 

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

খুলনায় বন্দুকযুদ্ধে ৪ জলদস্যু নিহত

ডেস্ক প্রতিবেদক: সুন্দরবনে র‌্যাব-৬...

বিস্তারিত
কুমিল্লায় ব্যবসায়ী হত্যা; ৯ জনের ফাঁসি

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লার...

বিস্তারিত
নাইকো মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক: নাইকো দুর্নীতি...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *