‘ভ্যাকসিন হিরো’ পদক পেলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১০:০৯, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আপডেট: ১২:৫৩, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচিতে ব্যাপক সফলতার জন্য ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন ও ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই) প্রধানমন্ত্রীকে এ পুরস্কারে ভূষিত করে।

সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তর্রাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে ইমিউনাইজেশনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের স্বীকৃতি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনেশন ও ইমিউনাইজেশনের (জিএভিআই) বোর্ড সভাপতি ড. এনগোজি অকোনজো ইবিলা এবং সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী সেথ ফ্রাংকিলন বার্ক্লে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

পুরস্কার গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী সেটা দেশবাসীকে উৎসর্গ করেন। তিনি বলেন, ‘ভ্যাক্সিনেশনের জন্য বাংলাদেশের কঠোর পরিশ্রম আজ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা নিয়ে সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা অধীনে ইমুনাইজেশনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সুস্থ ও নতুন প্রজন্ম দরকার। ২০৩০ সালের অনেক আগেই বাংলাদেশে সকলের জন্য ভ্যাকসিনের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।’

ইমুনাইজেশনকে স্বাস্থ্যখাতে সরকারিভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্যগাথা হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এক্ষেত্রে গ্লোবাল ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স এবং অন্যান্য অংশীদারদের তাদের অব্যাহত সমর্থন ও অবদান রাখার জন্য ধন্যবাদ জানান।

শেখ হাসিনা সব পর্যায়ে অন্যান্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে ইমুনাইজেশনকে সমন্বিত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বর্ণনা দেন। বাংলাদেশের কক্সবাজারে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাখাইন থেকে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বিরাট ঝুঁকি তৈরি করেছে। এসব রোহিঙ্গাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।’

এছাড়া অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ডিপথেরিয়া, কলেরা এবং এ ধরনের রোগ যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেই লক্ষ্যে সফলভাবে ভ্যাক্সিনেশন পরিচালনা করা হয় বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘জিএভিআই এর সর্বশেষ জরুরি এবং শরণার্থী নীতিমালা অনুযায়ী ২০১৭ সালে কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে।’

প্রধানমন্ত্রী  বলেন, রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘সরকার সকলের মৌলিক স্বাস্থ্য ও পর্যাপ্ত পুষ্টি নিশ্চিতকরণে সক্ষম হবে।’

এই বিভাগের আরো খবর

বুকার পুরস্কার পেলেন দুই নারী সাহিত্যিক

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: এ বছর সম্মানজনক...

বিস্তারিত
অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন ভারতীয়সহ ৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:  ২০১৯ সালে...

বিস্তারিত
উত্তর প্রদেশে ভবনে ধস, নিহত ১০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তর...

বিস্তারিত
যেসব বিচারে ভারতের শীর্ষ ধনীর মুকেশ আম্বানি

ডেস্ক প্রতিবেদন: ভারতের শীর্ষ ধনীর...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *