গাইবান্ধার রাজাকার রঞ্জু মিয়াসহ ৫ জনের ফাঁসির আদেশ

প্রকাশিত: ১০:০৪, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

আপডেট: ১০:০১, ১৫ অক্টোবর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: গাইবান্ধার রাজাকার রঞ্জু মিয়াসহ পাঁচজনকে মানবতাবিরোধী অপরাধের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আজ (মঙ্গলবার) সকালে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ শাহিনুর ইসলাম এই আদেশ দেন। গত ২১শে জুলাই মামলাটির শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান রাখা হয়। এই মামলায় আসামি ছিল ছয়জন। তাদের মধ্যে রঞ্জু মিয়া গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছে।

এ মামলায় প্রসিকিউটর ছিলেন মোখলেসুর রহমান বাদল। আর আসামিপক্ষে আইনজীবী আবুল হাসান মামলা পরিচালনা করেন।

এর আগে গত ২১ জুলাই এ মামলার শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমান রাখেন। মামলায় মোট আসামি ছিলেন ছয়জন। তাদের মধ্যে মো. রঞ্জু মিয়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।

পলাতক আসামিরা হলেন- রাজাকার কমান্ডার আবদুল জব্বার (৮৬), মো. জাফিজার রহমান খোকা (৬৪), মো. আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল (৬২), মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ (৬৮) ও মো. আজগর হোসেন খান (৬৬)। এদের মধ্যে আজগর হোসেন খান মারা গেছেন।

তাদের বিরুদ্ধে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা-গণহত্যা, ধর্ষণ, আটক, অপহরণ, নির্যাতন, বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, ভয়-ভীতি এবং আতঙ্ক ছড়িয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ধর্মান্তর ও দেশান্তরে বাধ্য করাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে।

আসামিরা গাইবান্ধা সদরের নান্দিদা ও ফুলবাড়ী গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা এবং সবাই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী। আসামিদের মধ্যে মো. আবদুল জব্বার, মো. জাফিজার রহমান খোকা ও মো. আবদুল ওয়াহেদ মণ্ডল ১৯৭১ সালের আগে থেকেই জামায়াতের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। জব্বার ও খোকা মানবতাবিরোধী অপরাধে ১৯৭২ সালে গ্রেফতার হলেও তাদের কোনো বিচার হয়নি।

খোকার বর্তমান ঠিকানা রাজধানীর কাফরুল থানার উত্তর ইব্রাহিমপুর। তিনি ১৯৭৫ সালে পুলিশের চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১৪ সালে অবসর নেন। মো. মমতাজ আলী বেপারি মমতাজ ১৯৭৪ সালে কৃষি বিভাগে চাকরিতে যোগ দিয়ে ২০১২ সালে অবসর নেন বলে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার অভিযোগে বলা হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর

খালেদা জিয়ার জামিন খারিজের বিরুদ্ধে আপিল

নিজস্ব প্রতিবেদক: জিয়া চ্যারিটেবল...

বিস্তারিত
গ্রামীণফোনের পাওনা টাকার বিষয়ে আদেশ সোমবার

নিজস্ব প্রতিবেদক: গ্রামীণফোন পাওনা...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *