অভিজাত এলাকা ও বিদেশেও কৃষকলীগের শাখা

প্রকাশিত: ১০:৫৯, ০৫ নভেম্বর ২০১৯

আপডেট: ১০:১০, ০৫ নভেম্বর ২০১৯

ফারহানা জুঁথি: স্বাধীনতার পর খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে চাষাবাদে কৃষককে সহযোগিতা দেয়া ও কৃষির সমৃদ্ধির জন্য কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠা হলেও এখন রাজধানীর অভিজাত এলাকা ও বিদেশেও এর শাখা রয়েছে।

কৃষকলীগ নেতৃত্বের এমন অনেক কর্মকান্ড নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে দলের মধ্যেই। এমন বাস্তবতায় ছয় নভেম্বর হতে যাচ্ছে কৃষক লীগের জাতীয় সম্মেলন। বাস্তবতা মেনে কৃষি ও কৃষকের উপযোগী নেতৃত্ব সময়ের দাবি বলে জানান এই সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

উন্ন্য়নের ধারাবাহিকতায় দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন হলেও উৎপাদিত ফসল সংরক্ষণ, পরিবহন, ন্যায্য দাম না পাওয়ার কষ্টে বিভিন্ন সময় ক্ষোভ প্রকাশ করেন কৃষকরা। কিন্তু কৃষি ও কৃষকের সহযোগিতার জন্য ১৯৭২ সালে জাতির পিতা কৃষক লীগ নামে যে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন হালে তার নেতারা তৃণমূলে কৃষকের পাশে কতটা দাঁড়াতে পেরেছেন তা প্রশ্নবিদ্ধ।

অন্যান্য সহযোগী সংগঠন সক্রিয় থাকলেও রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও তারা গড় হাজির। এমন বাস্তবতায় সাত বছর পর সংগঠনটির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন হচ্ছে।

কৃষক লীগ গঠন করে সমবায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য কৃষি জমির আইনে পরিবর্তনসহ নানা উদ্যোগও নেন বঙ্গবন্ধু। সময়ের পরিক্রমায় সেই অবস্থান থেকে কৃষকলীগ সরে আসে বলে অভিযোগ নেতাকর্মীদের।

তবে দশ বছর দায়িত্বে থাকা সংগঠনের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা  বলছেন, কৃষিবান্ধব সরকারের সময় মাঠে কোন কাজ নেই কৃষক লীগের।

২০১২ সালের পর সংগঠনের আগামী সম্মেলনকে সামনে রেখে বেশ তৎপর দলের নবীণ প্রবীণ নেতারা। কৃষি আর কৃষকের সাথে সম্পৃক্ত মেধাবী নেতৃত্ব দেখতে কৃষকলীগে দেখতে চান তারা।

এই বিভাগের আরো খবর

চালের বাজারও অস্থির, কেজিতে বেড়েছে ৫ টাকা

ইউসুফ রানা: আবারো চালের দাম বেড়েছে।...

বিস্তারিত
ভয়াল ১২ই নভেম্বর আজ

ডেস্ক প্রতিবেদন: ভয়াল ১২ই নভেম্বর আজ।...

বিস্তারিত
সুন্দরবন বার বার রক্ষা করছে উপকূলবাসীকে

আমিনুল ইসলাম মিঠু: ঘূর্ণিঝড় বুলবুল...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *