অবৈধ পথে অর্থ উপার্জনে হারিয়ে গেছে প্রকৃত সংগঠকরা

প্রকাশিত: ১১:৩১, ০৭ নভেম্বর ২০১৯

আপডেট: ১২:২২, ০৭ নভেম্বর ২০১৯

এস.এম.সুমন: এক সময়ের তারকা খচিত দল মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়া চক্র হয়েছিল লিগ চ্যাম্পিয়ন। জিতেছিল ফেডারেশন কাপসহ বেশ কিছু শিরোপা। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এএফসি ক্লাব কাপের প্রথম পর্বেও খেলেছিলো। সেসব এখন কেবলই ইতিহাস। পরে ক্লাবটির এই টানা ব্যর্থতার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টদের বিশ্লেষণ ক্যাসিনো ব্যবসা,  হাউজি কিংবা জুয়ার মতো অবৈধ পথে অর্থ উপার্জনের ঝোঁক। যার ফলে প্রকৃত সংগঠকরা যেমন হারিয়ে গেছেন,  এসেছেন অসাধুরা।

গুলিস্তানের এই বিশাল জায়গায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রের আবাসিক ক্লাব। কিন্তু এখানে খেলোয়াড়দের কোন কিছুই চোখে পড়ে না। ৯০’র দশকে আলোড়ন সৃষ্টি করে দেশের ফুটবলে বেশ কিছু সাফল্য এনে দিয়েছিলো মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র। ২০০৩ সালের ফেডারেশন কাপ ছিলো ক্লাবটির সর্বশেষ কোন শিরোপা জয়।

তিনবার ফেডারেশন কাপ, দু’বার প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা ঘরে তুলেছিলো মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র। তবে গত ১৫ বছরে ক্লাবটির দক্ষতা গিয়ে ঠেকেছে তলানীতে। মূলত হাউজি, জুয়ার অবৈধ অর্থ উপার্জনকে ক্লাবের এই বাজে পারফরম্যান্সের জন্য দুষছেন অনেকে।

গত এক বছর ক্যাসিনো বাণিজ্য চললেও সেখান থেকে আসা অর্থ মুক্তিযোদ্ধা ক্লাবের খেলোয়াড়দের পেছনে ব্যয় করা হতো না। ক্যাসিনোর টাকা কোথায় যেতো সেই তথ্যও জানা নেই খোদ ক্লাব কর্মকর্তার।

এক সময়ে জাতীয় দলের বেশিরভাগ ফুটবলার খেলতেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র ক্লাবে। আর এখন জাতীয় দলের কোন খেলোয়াড় তো দূরের কথা, মাঝারি মানের খেলোয়াড় নিয়ে দল গড়তেও হিমশিম খাচ্ছেন কর্মকর্তারা। সুদিন আবার কবে ফিরবে সেটা বলে দেবে ভবিষ্যত পরিকল্পনা।  

এই বিভাগের আরো খবর

ক্লাবে ক্যাসিনো বসিয়ে লাভবান হাতে গোনা ক’জন

মাবুদ আজমী: ক্যাসিনোর কালিমা লাগার পর...

বিস্তারিত
দিলকুশা ক্লাব দখল করে ক্যাসিনো চালু করেন সাঈদ

মাবুদ আজমী: মতিঝিলের ক্লাব পাড়ায় অবৈধ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *