স্ট্রোকের ছোট-বড় উপসর্গ ও প্রতিকারের উপায়

প্রকাশিত: ১১:৩৮, ১১ নভেম্বর ২০১৯

আপডেট: ১১:৩৮, ১১ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: বর্তমানে স্ট্রোকের সমস্যা আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বয়স্করা স্ট্রোকে আক্রান্ত হলেও সম্প্রতি অল্প বয়সের তরুণদের মধ্যেও এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। মানুষের একটি প্রচলিত সমস্যায় রূপ নিয়েছে স্ট্রুক। তাই স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিরেই ব্যবস্থা নিতে হবে সাথে সাথেই। কোন প্রকার অবহেলা করা চলবেনা। প্রকৃতপক্ষে স্ট্রোকের ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী ভয়াবহ। সময় মতো উপযোগী ব্যবস্থা নিলে জটিলতা এড়ানোসহ জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়।

মস্তিষ্কে অক্সিজেন রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলে বা কখনো রক্তনালি ফেটে গিয়ে রক্ত জমাট বেঁধে গেলে স্ট্রোক হয়। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তের অতিরিক্ত চর্বি, ধূমপান ইত্যাদি স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

সাধারণত শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে গেলে আমরা ভাবি হয়েছে। তবে সব সময় যে এমনটাই হবে তা ভাবার কারণ নেই। স্ট্রোকের আরও কিছু উপসর্গ আছে। উপসর্গগুলো জানা থাকলে আপদকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।

 

স্ট্রোকোর লক্ষণ:

হঠাৎ প্রচণ্ড মাথাব্যথা, যা কোনো কিছুতেই কমেনা স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে।

তীব্র বমি বা মাথা ঘোরানো, খিঁচুনি হওয়া।

দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া বা চোখে ঝাঁপসা দেখা। আবার ইুলইশন হওয়া অর্থাৎ একটি জিনিসকে দুইটি দেখা।

হঠাৎ করেই কথা জড়িয়ে যাওয়া, কথা বলতে কিংবা বুঝতে অসুবিধা হওয়া।

হঠাৎ মুখ একদিকে বাঁকা হয়ে যাওয়া। অথবা মুখের কোনো অংশ অবশ হয়ে পড়া।

হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা হাটাচলার সময় পড়ে যাওয়া।

শরীরের একটি অংশ অবশ হয়ে যাওয়া বা এক হাত বা পায়ের বোধ শক্তি কমে যাওয়া।

এসব উপসর্গ দেখা দিলে সাবধান হতে হবে। স্ট্রোকের ফলে কারো মধ্যে এই সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে।

স্ট্রোক হলে যা করতে হবে:

অবহেলা না করে দ্রুত বাসার সবচেয়ে কাছের যে হাসপাতালটিতে চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে রোগীকে সেখানে নিয়ে যেতে হবে। কোন প্রকার হারবাল বা কবিরজি চিকিৎসা করে সময় নষ্ট করলে বড় বিপদ হতে পারে।

নিজে থেকে রোগীকে কোন প্রকার প্রেশার বা অন্য রোগের ওষুধ খাওয়াবেন না। স্ট্রোকের ফলে রোগীর মুখের পেশিগুলো প্যারালাইজ অবস্থায় থাকে। তাই জোর করে কিছূ খাওয়াতে গেলে থাবার বা পানি খাদ্য নালীতে আটকে যেতে পারে আবার শ্বাস নালীতেও চলে যেতে পারে। এতে হিতের বিপরীত হতে পারে এমন কি মৃত্যুও হতে পারে।

স্ট্রোক প্রতিরোধে যা করবেন:

ব্লাড প্রেশার কন্ট্রোল করতে হবে।

নিয়মিত হাঁটাচলা করবেন।

সাদা ভাত, সাদা চিনি, সাদা লবণ একেবারে ছেড়ে দিতে হবে।

ধুমপান থেকে দূরে থাকবেন।

ডায়াবেটিস থাকলে কন্ট্রোলে রাখবেন।

নিয়মিতভাবে কোলেস্ট্রেরল লেভেল চেক করাবেন।

গোসলের সময় আগে পায়ের পাতা ভিজিয়ে আস্তে আস্তে উপরের দিকে উঠতে হবে। সবশেষে মাথায় পানি দিবেন।

স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে যাবেন। কোন ভাবেই সময় নষ্ট করা যাবেনা। চেষ্টা করবেন দুই থেকে চার ঘন্টার মধ্যে রোগীকে হাসপাতারে নেওয়ার জন্য।

এই বিভাগের আরো খবর

সাত মসলায় ওজন নিয়ন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক: নিজেকে সুন্দর রাখতে ও...

বিস্তারিত
শীতের শাক বথুয়ার অসাধারণ স্বাস্থ্য গুণ

অনলাইন ডেস্ক: বথুয়া শাকের গাছ আগাছা...

বিস্তারিত
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে পেঁয়াজ

অনলাইন ডেস্ক: বর্তমান বিশ্বে চিকিৎসা...

বিস্তারিত
বায়ুদূষণ থেকে সুস্থ থাকতে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বে বায়ুদূষণের...

বিস্তারিত
মাড়ি ফোলার ঘরোয়া সমাধান

অনলাইন ডেস্ক: দাঁতের সমস্যার মতোই...

বিস্তারিত
সকালে যা করলে সুস্থ থাকবেন

অনলাইন ডেস্ক: কর্মব্যস্ততÍ কারণে...

বিস্তারিত
৬টি রোগ দূরে রাখবে মেথি শাক

অনলাইন ডেস্ক: শরীর সুস্থ রাখতে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *