পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৭০ থেকে ১০০ টাকা

প্রকাশিত: ০৬:১৯, ১৮ নভেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০৬:২১, ১৮ নভেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: অবশেষে রাজধানীসহ সারাদেশের  বাজারগুলোতে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। গত দু’দিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে দাম কমেছে ৭০ থেকে ১০০ টাকা। এতে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকায়। নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। আমদানি করা চায়না পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকায়।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ী বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, ইতোমধ্যে বাজারে নতুন দেশি পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করছে। পাশাপাশি পেঁয়াজের কারসাজিকারীদের ধরতে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে বিভিন্ন সংস্থা। এসব কারণে বাজারে পেঁয়াজের দাম কমছে। দাম কমার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বাজার স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

আজ সোমবার রাজধানীর শ্যামবাজারে পাইকারি দরে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মানভেদে ১৫০-১৬০ টাকা। দু’দিন আগেও এর দাম ছিল ২১০-২৩০ টাকা। নতুন দেশি পেঁয়াজ ১১০-১২০ টাকা। আমদানি করা চায়নার পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকা।

এদিকে, পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কমলেও এখনও পুরোপুরি প্রভাব পড়েনি খুচরা বাজারে। আজ রাজধানীর মতিঝিল, খিলগাঁও, মুগদা, সেগুনবাগিচা, ধানমন্ডি এলাকার বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২০০-২২০ টাকা। আমদানি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০-১৮০ টাকা। নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা।

বিষয়ে মুগদার খুচরা পেঁয়াজ ব্যবসায়ী বলেন, আগের বেশি দামে কেনা। ২১০ টাকায় কিনে ২১০ টাকায় বিক্রি করছি। ভাড়া পরিবহনসহ অনেক খরচ আছে। কি করা এখন দাম কমে গেছে তাই লসে বিক্রি করতে হচ্ছে।

শ্যামবাজারে পাইকারি পেঁয়াজের দাম কমলেও কারওয়ানবাজারে এখনও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। কারওয়ানবাজারের পেঁয়াজের পাইকাররা বেশি দামে কেনার অজুহাত দেন।

পাবনার ফড়িয়া পেঁয়াজের ব্যবসায়ীরা জানান, গতকাল থেকে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। মুড়িকাটা পেঁয়াজ বাজারে ওঠায় বড় আড়তদাররা পেঁয়াজ ছেড়ে দিচ্ছে। কাল আড়তে পেঁয়াজ কিনেছি পুরান হাজার ৯০০ টাকা মণ আর নতুন পেঁয়াজ হাজার টাকা।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, সংকটকে পুঁজি করে কিছু কারসাজিকারী পেঁয়াজের বাজার অস্থির করে তোলে। অধিদফতরের অভিযানে তার প্রমাণ মিলেছে।

তিনি বলেন, পেঁয়াজের আড়ত, মোকাম, পাইকারি খুচরা বাজারে অভিযানের পাশাপাশি সরকার পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এসব কারণে দাম কমেছে। পেঁয়াজের দাম সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকেই ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করায় পেঁয়াজের বাজার অস্থির। এরপর থেকে দফায় দফায় বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। ওইদিনই ১০০ টাকায় পৌঁছায় যায় দেশি পেঁয়াজের কেজি। পরে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের পর আবারও পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং আমদানি করা পেঁয়াজ আসছে না- এমন অজুহাতে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেন। ফলে অপ্রতিরোধ্য পেঁয়াজের দাম সর্বোচ্চ বেড়ে হয় ২৫০ টাকায়।

পেঁয়াজের সংকট মোকাবিলায় বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে এলসি এবং বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আমদানি শুরু করে। পাশাপাশি মিসর তুরস্ক থেকেও এলসির মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করা হয়। এছাড়া মিসর থেকে কার্গো বিমানযোগে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। যার প্রথম চালান ঢাকায় পৌঁছাবে মঙ্গলবার।

এই বিভাগের আরো খবর

৪৫ টাকার নীচে মিলছে না চাল

সুমন তানভীর: সর্বনিম্ন ৪৫ টাকা কেজির...

বিস্তারিত
রিজার্ভ থেকে ঋণ নেয়ার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের রিজার্ভ থেকে...

বিস্তারিত
দুর্যোগে সহায়তায় ১১ হাজার টন চাল বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিভিন্ন প্রাকৃতিক...

বিস্তারিত
চামড়া কিনতে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন কোরবানিকে...

বিস্তারিত
ভূতুড়ে বিলে জড়িত ২৯০ জনকে শাস্তির সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ বিলকাণ্ডে...

বিস্তারিত
"শিল্পখাতের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হচ্ছে না"

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিল্প খাতের চাহিদা...

বিস্তারিত
লাফিয়ে বাড়ছে কাঁচামরিচের দাম

সুমন তানভীর: রাজধানীর বাজারে লাফিয়ে...

বিস্তারিত
এ মাসেই জুনের বেতন পাবেন পাটকল শ্রমিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শ্রম প্রতিমন্ত্রী...

বিস্তারিত
আজ থেকে বন্ধ হল রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল

খুলনা সংবাদদতা: সরকারি সিদ্ধান্ত...

বিস্তারিত
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাস...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *