ঝিনাইদহে গড়াইয়ের ভাঙ্গনে বিলীন অনেক স্থাপনা

প্রকাশিত: ১০:১৯, ০১ ডিসেম্বর ২০১৯

আপডেট: ১২:১৪, ০১ ডিসেম্বর ২০১৯

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা: ঝিনাইদহে গড়াই নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিলীন হয়ে যাচ্ছে জেলার কয়েকটি উপজেলার নদী তীরবর্তী স্থাপনা। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ। তাদের অভিযোগ ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

এদিকে ভাঙনের স্থায়ী সমাধানে একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বড়–লিয়া গ্রামের রশিদা বেগম। গড়াই নদীর ভাঙনের তোড়ে সহায় সম্বল হারিয়ে পরিবার নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন পাশ্ববর্তী ছোট্ট একটু জায়গায়, তাও রয়েছে হুমকিতে। এমন চিত্র উপজেলার গড়াই নদীর তীরববর্তী বড়–লিয়া, কৃষ্ণনগর, নলখোলাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের। ভাঙনের কবলে অনেক মানুষ ঘর-বাড়ি হারিয়েছেন, ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে অনেক স্থাপনা ও ফসলি জমি।

স্থানীয়রা জানায় ভাঙন রোধে ২০১৪ ও ২০১৫ সালে দু-দফায় দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ আসে। তবে শুধুমাত্র বাঁশ দিয়ে নদীর পাড় বাধানো ও কিছু বালুর ব্যাগ ফেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে ভাঙন রোধের কাজ। ফলে, কমেনি ভাঙনের তোড়।

সারুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যার মাহমুদুল হাসান মামুনের দাবি, ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরাদ্দ কম থাকে। 

এদিকে, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তৌফিক উজ জামান জানান, ভাঙনের স্থায়ী প্রতিরোধে ২শ’ ৪২ কোটি টাকার প্রকল্প তৈরি করে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলে কাজ শুরু হবে।

১৯৯০ সালের পর থেকে গড়াই নদীর ভাঙনে শৈলকুপা উপজেলার প্রায় ৩ হাজার ৫শ’ বিঘা জমি বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে এক সময় এই উপজেলার বড় অংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বলে অশঙ্কা স্থানীয়দের।

এই বিভাগের আরো খবর

উত্তরাঞ্চলে শীতের সাথে বাড়ছে রোগের প্রকোপ

ডেস্ক প্রতিবেদন: দেশের উত্তরাঞ্চলে...

বিস্তারিত
ময়মনসিংহে বাস ধর্মঘট অব্যাহত

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা: ডিপো ছাড়া...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *