তিন বিভাগে তেল পাম্পে ধর্মঘট, চরম ভোগান্তি

প্রকাশিত: ০১:১৯, ০১ ডিসেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০৩:৫৩, ০১ ডিসেম্বর ২০১৯

ডেস্ক প্রতিবেদন: জ্বালানি তেল বিক্রিতে কমিশন বৃদ্ধি ও ট্যাংকলরির ভাড়া বাড়নোসহ ১৫ দফা দাবিতে রাজশাহী, রংপুর এবং খুলনা বিভাগের ২৬ জেলায় তেলের পাম্পগুলোতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন মালিক ও শ্রমিকরা। আজ (রোববার) ভোর ৬টা থেকে এ ধর্মঘট পালন করছেন তারা। ফলে তিন বিভাগের ডিপোগুলো থেকে সকালে জ্বালানি তেল নিয়ে ছাড়েনি কোন ট্যাংকলরি।

আন্দোলনকারীরা বলেন, জ্বালানি ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক অমীমাংসিত দাবিসমূহ নিয়ে সংশ্লিষ্টরা টালবাহানা করছে। ফিলিং স্টেশন তথা জ্বালানি ব্যবসায়ীদের ওপর অযথা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন ধরনের বিধান। যা মেনে নিয়ে জ্বালানি ব্যবসা করা সম্ভব নয়। আর তাই বাধ্য হয়ে জ্বালানি ব্যবসায়ীরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন।

ধর্মঘটের ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা।

১৫টি দাবি:

জ্বালানি তেল বিক্রির প্রচলিত কমিশন কমপক্ষে সাড়ে সাত শতাংশ প্রদান, জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীরা কমিশন এজেন্ট নাকি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিষয়টি সুনির্দিষ্টকরণ, প্রিমিয়াম পরিশোধ সাপেক্ষে ট্যাংকলরি শ্রমিকদের ৫ লাখ টাকা দুর্ঘটনা বীমা প্রথা প্রণয়ন, ট্যাংকলরির ভাড়া বৃদ্ধি, পেট্রলপাম্পের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদফতরের লাইসেন্স গ্রহণ বাতিল, পেট্রলপাম্পের জন্য পরিবেশ অধিদফতরের লাইসেন্স গ্রহণ বাতিল, পেট্রলপাম্পে অতিরিক্ত পাবলিক টয়লেট, জেনারেল স্ট্রোর ও ক্লিনার নিয়োগের বিধান বাতিল, সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃক পেট্রলপাম্পের প্রবেশদ্বারের ভূমির জন্য ইজারা গ্রহণের প্রথা বাতিল, ট্রেড লাইসেন্স ও বিস্ফোরক লাইসেন্স ব্যতীত অন্য দফতর বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক লাইসেন্স গ্রহণের সিদ্ধান্ত বাতিল, বিএসটিআই কর্তৃক আন্ডারগ্রাউন্ড ট্যাংক ৫ বছর অন্তর বাধ্যতামূলক ক্যালিব্রেশনের সিদ্ধান্ত বাতিল, ট্যাংকলরি চলাচলে পুলিশি হয়রানি বন্ধ, সুনির্দিষ্ট দফতর ব্যতীত সরকারি অন্যান্য দাফতরিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ডিলার বা এজেন্টদেরকে অযথা হয়রানি বন্ধ, নতুন কোনো পেট্রলপাম্প নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় জ্বালানি তেল মালিক সমিতির ছাড়পত্রের বিধান চালু, পেট্রলপাম্পের পাশে যেকোনো স্থাপনা নির্মাণের পূর্বে জেলা প্রশাসকের অনাপত্তি সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক ও বিভিন্ন জেলায় ট্যাংকলরি থেকে জোরপূর্বক পৌরসভার চাঁদা গ্রহণ বন্ধ করা।

তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ মুরাদ হোসেন বলেন, কর্মবিরতি চলাকালে খুলনা বিভাগের ১০ জেলাসহ বৃহত্তর ফরিদপুরের কয়েক জেলায় চলছে না ট্যাংকলরির চাকা। পেট্রলপাম্পে তেল বিক্রি বন্ধ রয়েছে।

এর আগে বগুড়া প্রেসক্লাবে সম্মেলন করে বাংলাদেশ পেট্রোলপাম্প ও ট্যাংকলরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ তাদের ১৫ দফা দাবি মেনে নেয়ার জন্য ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়। দাবি না মানা হলে পহেলা ডিসেম্বর থেকে তিন বিভাগের ডিপোসমূহ থেকে জ্বালানি তেল উত্তোলন, পরিবহন ও বিপণন বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

এই বিভাগের আরো খবর

পদ্মায় ফেরি চলাচল আজও ব্যাহত

ডেস্ক প্রতিবেদন: পদ্মায় নাব্যতা সংকট...

বিস্তারিত
উত্তরে পানি কমেছে, বেড়েছে ভাঙন

ডেস্ক প্রতিবেদন : দেশের উত্তরাঞ্চলের...

বিস্তারিত
বন্যায় ১২ হাজার কিলোমিটার সড়কের ক্ষতি

পার্থ রহমান: এবারের বন্যায় দেশের ৪০টি...

বিস্তারিত
৭ মাস বেতন নেই হলি ফ্যামিলির ডাক্তার-নার্সদের

আশিক মাহমুদ: হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের...

বিস্তারিত
দৌলতদিয়ায় ১৩ কিলোমিটার ট্রাকের লাইন

নিজস্ব সংবাদদাতা: পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া...

বিস্তারিত
জোয়ারে প্লাবিত পটুয়াখালীর উপকূলীয় গ্রামগুলো

আব্দুস সালাম আরিফ: অমাবস্যার জোয়ারের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *