বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষা করা বড় মানবাধিকার লঙ্ঘন: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১১:৩৫, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯

আপডেট: ১২:২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ছিলো জাতিরপিতার হত্যাকারীদের আইন করে রক্ষা করা। তিনি বলেন, অপরাধীদের রাষ্ট্রক্ষমতায় বসানো হয়েছিলো প্রচ্ছন্ন মদদে।

আজ (১০ ডিসেম্বর) বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মকে বাঙালির করুণ ইতিহাস জানতে হবে। নাগরিক অধিকার ভোগ করতে হলে নিজ কর্তব্য পালন করতে হবে। অধিকার সম্পর্কে সচেতনতার পাশাপাশি কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’

সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করে মানবাধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  সব ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচারের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অপরাধীকে শাস্তি পেতেই হবে।

মানবাধিকার দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য- ‘মানবাধিকার সুরক্ষায় তারুণ্যের অভিযাত্রা’। এ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা  আরো বলেন, ‘সব থেকে যেটা প্রয়োজন মানবাধিকার রক্ষা করার জন্য আইনের শাসন নিশ্চিত করা। সুতরাং অপরাধী যে-ই হোক, অপরাধীকে শাস্তি পেতেই হবে। এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। আমরা সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘একদিকে আমরা যেমন মানবাধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিচ্ছি, পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি-এগুলোর বিরুদ্ধেও আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কাজেই এগুলো সমাজকে ধ্বংস করে, সমাজকে নষ্ট করে। সমাজ থেকে এই জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘন হোক আমরা এ বিষয়ে সোচ্চার। কারণ আমরা সব সময় মনে করি সরকার মানে জনগণের সেবক, জনগণের কাজ করে- সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

‘সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মানবাধিকার নিশ্চিত করে সবার জন্য সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।’ 

মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কমিশন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ সরকারের নিকট প্রেরণ করছে এবং সরকার গুরুত্বের সঙ্গে কমিশনের সে সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। যাতে যথাযথ বাস্তবায়ন হয় সে পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি।’

জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের জনগণকে মানবাধিকার ও নাগরিক দায়িত্ব সম্পর্কে ভালভাবে সচেতন করে গড়ে তোলা দরকার।’

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম।

এই বিভাগের আরো খবর

মিরপুরে চলন্তিকা বস্তিতে আবারো আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবারো মিরপুর...

বিস্তারিত
আইসিজের আদেশ যেন মিয়ানমার এড়াতে না পারে: হি লি

নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক ন্যায়...

বিস্তারিত
শেরেবাংলানগরে আতিকুলের গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর...

বিস্তারিত
ভোট কারচুপি হলে জনগণ জবাব দেবে: ইশরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা দক্ষিণ সিটি...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *