বৈশাখী টেলিভিশনের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত: ০৪:৩২, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯

আপডেট: ০৫:১৯, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: বৈশাখী টেলিভিশনের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৈশাখী পরিবারের সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মাদ আব্দুল হামিদ।

এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘জনগণের তথ্য জানার অধিকার, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করতে গণমাধ্যমের গুরুত্ব অপরিসীম। দায়িত্বশীল ও পেশাদারি গণমাধ্যম জনগণকে সঠিক তথ্য দেয়, মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধি ও সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সমাজের সমস্যাগুলোর গভীরে ঢুকে সেগুলোর সমাধানের পথ তৈরিতে ইতিবাচক অবদান রাখছে বৈশাখী টেলিভিশন।’

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়ন ও অগ্রগতির রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি দারিদ্র্যের হার কমেছে, নারীর ক্ষমতায়নসহ আর্থসামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জিত সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।’

বৈশাখী টেলিভিশন এসব উন্নয়ন কর্মকান্ড জনগণের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি গণমাধ্যমসমূহ দেশ ও জনগণের স্বার্থে দায়িত্বশীলতার সাথে সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে প্রত্যাশা করেন আব্দুল হামিদ। 

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকে বৈশাখী টেলিভিশন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সুস্থ বিনোদন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান প্রচারে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে।’ ২০২০ সালে জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও ২০২১ সালে মহান স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী অনুষ্ঠান বৈশাখী টেলিভিশন প্রচারের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আশাবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। তার আশা, বৈশাখী টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি অনুষ্ঠান উপলক্ষে সামঞ্জস্যপূর্ণ অনুষ্ঠানমালা প্রচারের পদক্ষেপ নেবে।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে আশা প্রকাশ করেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে বাঙালি সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে বৈশাখী টেলিভিশন তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

পঞ্চদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৈশাখী টেলিভিশনের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মাদ আব্দুল হামিদ।

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *