টেলিকমিউনিকেশন খাতে হাজার কোটি ডলারের বাণিজ্য

প্রকাশিত: ১০:১৯, ২৮ জানুয়ারি ২০২০

আপডেট: ০৫:৪৯, ২৮ জানুয়ারি ২০২০

মাবুদ আজমী: নতুন প্রত্যাশা নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে নতুন বছরের। বাংলাদেশের সামনে অন্তত ১৫টি খাতকে দ্রুত উন্নতির ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। সেসব খাতের অগ্রযাত্রা এবং ভবিষ্যতে সম্ভাবনার দুয়ারগুলো নিয়ে নববর্ষে বৈশাখীর মাসব্যাপী ধারাবাহিক আয়োজনে, আজ টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি খাত নিয়ে দুটি প্রতিবেদনের প্রথমটি।

টেলিকমিউনিকেশন বা দূর যোগাযোগ খাতে গত দুই দশকে অভাবনীয় অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ খাতে আনা হয়েছে আমূল পরিবর্তন। বেসরকারি একটি সংস্থার জরিপ বলছে, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে টেলিকমিউনিকেশন খাতের অবদান প্রায় ৬ দশমিক ৫ ভাগ। এ খাতের উদ্যোক্তাদের মতে প্রতিনিয়ত এ খাতে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন-নতুন সম্ভাবনা।

হাতের মুঠোয় সব তথ্য। দূরের প্রিয় মানুষটি চোখের সামনে। যখন ইচ্ছে যতক্ষণ ইচ্ছে তার সাথে কথা বলা। এসব সব কিছুই টেলিকমিউনিকেশনের অনন্য অবদান। ১৯৯৬ এর পর দেশে টেলিকমিউনিকেশন খাতের বিকাশ শুরু। ঐ সময় মোবাইল সেবা প্রদান করতো মাত্র দুটি প্রতিষ্ঠান-সিটিসেল ও গ্রামীণফোন।

এরপর ধীরে ধীরে এগুতে থাকে খাতটি। ২০০৮ সালের ১২ই ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ২০২১ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে। ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয় সরকার।

বর্তমান দেশে ৬টি টেলিকমিউনিকেশন সেবা প্রদানকারী সংস্থা আছে। জিএসএম এসোসিয়েশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৬ কোটি ৪০ লাখ।  ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯ কোটি ৮১ লাখ। যার মধ্যে ৯ কোটি ২৪ লাখই মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। এর ফলে ১ হাজার ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলারের ব্যবসা হচ্ছে। আর কর্মসংস্থান হয়েছে ৭ লাখ ৬৫ হাজার মানুষের।

দেশেই এখন তৈরি করা হচ্ছে টেলিকমিউনিকেশন যন্ত্রপাতি ও  বিভিন্ন উপকরণ। বেশকিছু পণ্য ও সেবা রপ্তানি হচ্ছে। এ খাতে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনা দেখছেন উদ্যোক্তারা।

তবে সম্ভাবনাময় এই খাতের বিকাশে এখনও বেশ কিছু অন্তরায় রয়ে গেছে। এগুলো দূর করা গেলে রপ্তানির সুযোগ আরো অবারিত হবে বলেও মনে করেন তারা।

এ খাতের বিকাশে সরকারের নীতি উদার বলে জানালেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীমোস্তফা জব্বার। দেশের টেলিকমিউনিকেশন খাতকে আরো সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয় করতে নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

 

এই বিভাগের আরো খবর

অপার সম্ভাবনা তথ্য প্রযুক্তি খাতে

মাবুদ আজমী: নতুন প্রত্যাশা নিয়ে...

বিস্তারিত
এক দশকে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ৫৮ শতাংশ

বিউটি সমাদ্দার: নতুন প্রত্যাশা নিয়ে...

বিস্তারিত
সিরামিক খাতে রফতানি আয় বাড়ছে যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক: নতুন প্রত্যাশা...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *