দ্বিতীয় দিনে মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল

প্রকাশিত: ০৯:১৬, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আপডেট: ০৯:১৬, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ক্রীড়া ডেস্ক: বাংলাদেশের খুব একটা স্বস্তিতে কাটেনি রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের প্রথম দিনটা । তারপরও বড় ধরনের বিপর্যয় এড়িয়ে পুরো দিন খেলতে পেরেছে টাইগাররা। ৮২.৫ ওভারে অলআউট হয়েছে ২৩৩ রানে। আলোক স্বল্পতার কারণে ৭ ওভারের মতো বাকি থাকতেই দিনের খেলার ইতি টেনে দেন আম্পায়াররা।
যেহেতু বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গেছে। আজ দ্বিতীয় দিনের শুরু থেকেই ব্যাটিংয়ে নামবে পাকিস্তান। বাংলাদেশের তাই বোলিংয়ের প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামতে হবে।

আগের দিন স্বাগতিকদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে ব্যাটিংয়ের শুরুটা একদমই ভালো করতে পারেননি বাংলাদেশের দুই ওপেনার তামিম ও সাইফ। তবে প্রথম ওভারের প্রথম বল মিডউইকেট থেকে ৩ রান নিয়ে ইঙ্গিতটা ইতিবাচকই দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। যা ধরে রাখতে পারেননি এ অভিজ্ঞ ওপেনার।
শাহিন শাহ আফ্রিদির করা সে ওভারের তৃতীয় বলে আউট হন সাইফ। যার সুবাদে উড়ন্ত সূচনা পায় পাকিস্তান।

তাদের শুরুটা আরও দুর্দান্ত করে দেন মোহাম্মদ আব্বাস। দ্বিতীয় ওভার করতে এসে চতুর্থ বলেই তিনি আউট করেন তামিমকে। ৩ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এরপরই উইকেটে আসেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। আর প্রথম ওভারে সাইফের বিদায় আগেই এসেছিলেন নাজমুল শান্ত। দুজন মিলে নেমে পড়েন চাপ সামাল দেয়ার মিশনে। তবে তাদের জুটিটা ছিল পুরোপুরি নড়বড়ে। বিশেষ করে অধিনায়ক মুমিনুলের ব্যাটিং।

তবে মুমিনুলের তুলনায় বেশি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাটিং করছেন শান্ত। শাহিন শাহ আফ্রিদিকে দুর্দান্ত এক কভার ড্রাইভে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জানান দিয়েছেন নিজের আত্মবিশ্বাসের কথাও। অন্যদিকে মুমিনুল খুঁজে পাননি ছন্দ। নাসিম শাহর শর্ট লেন্থের ডেলিভারিতে বেশ বিপাকেই পড়তে দেখা গেছে তাকে। যার ধারাবাহিকতায় নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি টাইগার অধিনায়ক। ৩০ রান করে শাহীন শাহর শিকার হন ইনিংসের ২২তম ওভারে।

এরপর মাহমুদউল্লাহ আর শান্ত'র ৩৩ রানের একটি জুটি। দারুণ খেলছিলেন শান্ত। হঠাৎই কি মনে করে মোহাম্মদ আব্বাসের বেরিয়ে যাওয়া বলটায় ব্যাট ছুয়ে দেন। উইকেটের পেছনে ক্যাচ হন ৪৪ রানে। তার ১১০ বলের ইনিংসটায় ছিল ৬টি বাউন্ডারির মার।

মিঠুন ক্রিজে আসার পর কিছুটা সময় ভালোই কেটেছে বাংলাদেশের। তবে মাহমুদউল্লাহ শাহীন শাহ আফ্রিদির অনেক বাইরের একটি ডেলিভারিতে ড্রাইভ খেলতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ আউট হন আসাদ শফিকের। ৪৮ বলে ৪ বাউন্ডারিতে তিনি তখন ২৫ রানে। ১০৭ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। সেখান থেকে ৫৪ রানের আরেকটি লড়াকু জুটি লিটন দাস আর মোহাম্মদ মিঠুনের। দারুণ খেলছিলেন লিটন। হঠাৎ একটি বল লেগে যায় পায়ে। হারিস সোহেলের টার্নিং ডেলিভারিটিতে আউট হন লিটন।

সপ্তম উইকেটে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে প্রায় ২৩ ওভারের মতো কাটিয়ে দেন তাইজুল, দলকে পার করে দেন ২০০ রান। ৫৩ রানের জুটিটি অবশ্য ভেঙেছে তাইজুলেরই ভুলে। হারিস সোহেলকে অযথা তুলে মারতে গিয়ে মিডঅফে ইয়াসির শাহর সহজ ক্যাচ হন তিনি। ৭২ বলে ৪ বাউন্ডারিতে তাইজুলের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। এরপর রুবেলকে বোল্ড করে দেন শাহীন শাহ আফ্রিদি।

পরের ওভারে এক বল বিরতিতেই বাংলাদেশের শেষ ভরসা মোহাম্মদ মিঠুনকেও তুলে নেন নাসিম শাহ। মিঠুনের ১৪০ বলে ৭ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৬৩ রানের লড়াকু ইনিংসটার সমাপ্তি সেখানেই। 
পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল শাহীন শাহ আফ্রিদি। ৫৩ রানে তিনি নিয়েছেন ৪টি উইকেট। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

মাশরাফির উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম চালু

ক্রীড়া ডেস্ক: নভেল করোনা ভাইরাসের সময়...

বিস্তারিত
কিংবদন্তি ফুটবলার গোয়ো বেনিতো আর নেই

ক্রীড়া ডেস্ক: পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে...

বিস্তারিত
করোনা মোকাবেলায় কোয়াবের উদ্যোগ

ক্রীড়া ডেস্ক: নভেল করোনাভাইরাস...

বিস্তারিত
করোনায় বাতিল হলো উইম্বলডন

ক্রীড়া ডেস্ক: নভেল করোনাভাইরাসের...

বিস্তারিত
রোনালদোকে বিক্রির কথা ভাবছে জুভেন্টাস

ক্রীড়া ডেস্ক: নভেল করোনা ভাইরাসের...

বিস্তারিত
করোনায় আক্রান্তদের পাশে সানিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক: করোনা আক্রান্ত মানুষের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *