ভালোবাসার সপ্তাহে ১২ ফেব্রুয়ারি ‘কিস ডে’

প্রকাশিত: ০১:০৯, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আপডেট: ০১:০৯, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

নাসির উদ্দিন: বিশ্বজুড়ে চলছে ভালোবাসা সপ্তাহ। ভ্যালেন্টাইনের সপ্তাহটি ফেব্রুয়ারি রোজ ডে দিয়ে শুরু হয়েছে। তারপর তারিখ প্রপোজ ডে, তারিখে চকলেট ডে, ১০ তারিখ টেডি ডে, ১১ ফেব্রয়ারি প্রমিস ডে। আর ভ্যালেন্টাইন উইকের ষষ্ঠ দিন কিস ডে। প্রতি বছর ১২ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে পালিত হয় কিস ডে।

মনের যে অনুভূতি মুখের ভাষায় প্রকাশ করা যায় না, তা খুব সহজেই প্রকাশ করা যায় চুমুর মাধ্যমে। চুমু হলো ভালোবাসা প্রকাশের সবচেয়ে শক্তিশালী ভাষা। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন দিবসের আগে যেসব দিবস পালিত হয়ে থাকে, তার মধ্যে অন্যতম আজকের দিনটি অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারির কিস ডে।

ধারণা করা হয়, প্রাচীনকাল থেকে ভালোবাসার গভীরতা চুম্বনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। আদিম যুগে মানুষ যখন গুহায় বসবাস করতো তখন থেকেই চুমুর আদান-প্রদান শুরু। মা তার সন্তানের খাবার চিবিয়ে নরম করে মুখে দিয়ে দিত। তখন থেকেই চুম্বন স্নেহের এবং ভালোবাসার চিহ্ন হয়ে ওঠে যা মা-শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে প্রচলিত হয়। আর তখন থেকে ভালোবাসার গভীরতা, অন্তরঙ্গতা আমরা চুম্বনের মাধ্যমে প্রকাশ করে থাকি। হতে পারে তা আপনার সন্তানের, মায়ের অথবা প্রিয়জনের।

কিস ডে সর্বপ্রথম ইংল্যান্ডে পালিত হয়। সাংস্কৃতিক কারণে আমাদের দেশে এই দিবসটি তেমন জনপ্রিয় না হলেও পাশ্চাত্যে এর ভিন্ন তাৎপর্য রয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে কিস ডের একটি জনপ্রিয় আয়োজন হলোচুম্বন প্রতিযোগিতা’, যেখানে প্রতিযোগীদের দীর্ঘ সময় ধরে চুম্বনে আবদ্ধ থাকতে হয়। সেই জুটিই বিজয়ী হবে, যারা সবচেয়ে বেশি সময় ধরে চুম্বনে আবদ্ধ ছিল। গত বছর থাইল্যান্ডের এক জুটি টানা ৫৯ ঘণ্টা পেরিয়ে চুম্বনে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়।

বিশেষজ্ঞরা তাঁদের পর্যবেক্ষণে সাত ধরনের কাজে চুমুর ব্যবহার লক্ষ্য করেছেন-

. স্নেহের সম্পর্কে চুমু- পিতামাতা বা গুরুজনরা তাদের সন্তানদের ভালবাসা প্রকাশে চুমু খেয়ে থাকেন।

. শান্তির জন্য চুমু- চার্চের উপাসনার কাজে শান্তি স্থাপনের উদেশে চুমু খাওয়ার রেওয়াজ অনেক দিনের।

. সম্মান প্রদর্শনের জন্য চুমু- বিভিন্ন দেশের নেতারা পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য এই চুমুর ব্যবহার করতেন বা এখনও করে থাকেন।

. বন্ধুত্বের হাত বাড়াতে চুমু- ইউরোপ আমেরিকায় সামাজিকভাবে বন্ধুত্বের বন্ধন দৃঢ় করতে এই চুমুর ব্যবহার হয়ে থাকে।

. বয়ঃসন্ধিকালের চুমু- কিশোর কিশোরীরা তাদের ভালবাসা প্রকাশে ইউরোপ বা আমেরিকায় চুমু খেয়ে থাকে। এটা কিছুটা খেলার ছলে।

. সেক্স বা রোমান্সে চুমু- প্রেম বা বিবাহিত জীবনে সহবাসের আগে এই চুমু খাওয়া হয়।

. উপাসন বা আনুষ্ঠানিক কাজে চুমু- প্রাচীন রোমান সমাজে আনুষ্ঠানিক কাজে চুমু ব্যবহার করা হত। যেমন যুদ্ধে যাওয়ার আগে তরবারিতে চুমু খাওয়া হত।

 

এই বিভাগের আরো খবর

ঘরে বসেই বানান ‘চিকেন মোমো’

ফারহানা শিমু: ‘মোমো’ বিদেশি খাবার...

বিস্তারিত
ঘরেই তৈরি করুন ‘চিকেন রেশমি কাবাব’

আশিকুর রহমান: চিকেন রেশমি কাবাব:...

বিস্তারিত
করোনায় গৃহবন্দী, ঘরেই বানান ‘ফালুদা’

অনলাইন ডেস্ক: বেশ গরম পড়েছে।এর মধ্যে...

বিস্তারিত
স্ত্রীর অভিমান ভাঙাবেন যে ভাবে

অনলাইন ডেস্ক: দাম্পত্য জীবনের শুরুতে...

বিস্তারিত
ঘরে বসেই তৈরি করুন মজাদার ফ্রুট পুডিং

অনলাইন ডেস্ক: হালকা নাস্তার জন্য...

বিস্তারিত
সারাদিন সতেজ থাকতে গোসলে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক: শীত যেতে না যেতেই...

বিস্তারিত
যেভাবে বানাবেন মজাদার ‘ফিশ কেক’

অনলাইন ডেস্ক: ফিশ কেক খুবই সুস্বাদু...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *