কারামুক্ত হয়ে ভাষা আন্দোলনকে আরো বেগবান করেন বঙ্গবন্ধু

প্রকাশিত: ১০:২৩, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আপডেট: ১২:১৪, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিউটি সমাদ্দার: একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন-সংগ্রামের গোড়াপত্তন হয়েছিল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই ভাষা আন্দোলনে ছিলেন একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী তরুণ ছাত্র নেতা। এ বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। তাই এবার ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু মুজিবের ভূমিকা ও অংশগ্রহনের ঐতিহাসিক অধ্যায় নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আয়োজন করেছে বৈশাখী অনলাইন।

ভাষা আন্দোলনের ধারাবহিকাতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের দাবি আদায়ের আন্দোলনে অংশ নেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কৃত হন তরুণ ছাত্র নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। ছাত্রত্ব না থাকায় ছাত্রলীগ থেকে বের হয়ে আওয়ামী মুসলিম লীগে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ১৯৪৯ সালে কারাগারে আটক অবস্থাতেই আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবের নাম দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চুড়ান্ত করা হয়। সেসময় দলের সভাপতি ছিলেন জননেতা মওলানা ভাসানী।

ঊনপঞ্চাশ সালের জুন মাসের শেষ সপ্তাহে কারাগার থেকে মুক্তি পান শেখ মুজিব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কৃত হওয়ায় পরিবার থেকে তাঁকে দেশের বাইরে আইন নিয়ে পড়তে পাঠানোর আগ্রহ দেখালে তিনি তা প্রত্যাক্ষান করেন।

মুসলিম লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে তার মনোভাব প্রকাশ করে শেখ মুজিব তার বাবাকে বলেন, “বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মুসলিম লীগ নেতারা মানবে না। পশ্চিম পাকিস্তানে শিল্প কারখানা গড়া শুরু হয়েছে। পূর্ব পাকিস্তানের দিকে নজর দেয়া হচ্ছে না। রাজধানী করাচি। সব কিছুই পশ্চিম পাকিস্তানে। পূর্ব বাংলায় কিছু নেই।” পশ্চিম পাকিস্তানের অন্যায়কে প্রশ্রয় না দিয়ে এর বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে দৃঢ় সংকল্প নেন শেখ মুজিবুর রহমান।

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *