পিলখানা ট্রাজেডির ১১ বছর, ঝুলছে বিস্ফোরক মামলা

প্রকাশিত: ১০:০৪, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আপডেট: ০১:৪৯, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

এজাজুল হক মুকুল: আজ (মঙ্গলবার) বহুল আলোচিত পিলখানা ট্রাজেডি দিবস। ২০০৯ সালের এই দিনে বিদ্রোহের নামে পিলখানা বিডিআর সদরদপ্তরে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় তৎকালীন বিডিআর প্রধানসহ ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে। এ ঘটনায় বিচারিক আদালত ও হাইকোর্টে হত্যা মামলার রায় হলেও আপিলের খরচ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা। প্রধান বিচারপতির সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সুরাহার কথা জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তবে এগারো বছরেও শেষ হয়নি বিস্ফোরক আইনে করা মামলার বিচার।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে হঠাৎই পিলখানায় বিডিআর জওয়ানদের উন্মত্ততা চমকে দেয় মানুষকে। দরবার হলে বিডিআর প্রধানসহ সব অফিসারকে জিম্মি করে জওয়ানরা। সশস্ত্র বিদ্রোহের নামে বিডিআর প্রধানসহ হত্যা করা হয় ৫৭ জন সেনাকর্মকর্তা। এছাড়া ১৭ জন বেসামরিক কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও হত্যা করে তারা।

এ ঘটনায় সাড়ে আটশ’ জনের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা হয়। এর মধ্যে বিচারিক আদালতে ও হাইকোর্টে হত্যা মামলায় বিচার শেষ হয়েছে। বিচারিক আদালতে মৃত্যুদন্ড পাওয়া ১৫২ আসামীর মধ্যে ১৩৯ জনের মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর রায় দেয় হাইকোর্ট। ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন, ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড ও ২৮৭ জনকে খালাস দেয়া হয়।

বিডিআর বিদ্রোহে হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতের রায়:
মৃত্যুদণ্ড:        ১৫২ জন
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড:    ১৬১ জন
বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড:২৫৬ জন
বেকসুর খালাস:    ২৭৭ জন

বিডিআর বিদ্রোহে হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়:
মৃত্যুদণ্ড:        ১৩৯ জন
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড:    ১৮৫ জন
বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড:২২৮ জন
বেকসুর খালাস:  ২৮৭ জন

রায় ঘোষণার দুই বছরের বেশি সময় পর গত ৮ জানুয়ারী ২৯ হাজার পৃষ্ঠার পুর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী পুর্নাঙ্গ রায় প্রকাশের এক মাসের মধ্যে আপিল করতে হবে। তবে এত বড় রায়ের সত্যায়িত কপি তোলাসহ আপিল আবেদন করতে যে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন তা জোগান দেয়া অনেক আসামীর পক্ষেই সম্ভব নয়।   

এদিকে ১১ বছর পেরোলেও এ ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলার বিচার কাজ এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে। ১২০০ সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে মাত্র ১৮৫ জনের। ফলে হত্যা মামলায় খালাস পেলেও মুক্তি পাচ্ছেন না কয়েকশ’ আসামি।
হত্যা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় বিচারের জন্য রাজধানীর কারা অধিদপ্তর মাঠে স্থাপন করা হয় অস্থায়ী এজলাস। আর বিদ্রোহের বিচার হয়েছে বিজিবি’র নিজস্ব আইনে।

এই বিভাগের আরো খবর

ত্রাণ বিতরণের আগে পুলিশকে জানান

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান করোনা...

বিস্তারিত
মুক্তি পেতে যাচ্ছে তিন হাজার বন্দি!

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাস...

বিস্তারিত
দিনাজপুর ও পাবনায় দুই জন নিহত

ডেস্ক প্রতিবেদন: দিনাজপুর ও পাবনায়...

বিস্তারিত
মানবিক আচরণ করুন: আইজিপি

অনলাইন ডেস্ক: করোনা ভাইরাসের...

বিস্তারিত
হোটেল-রেস্টুরেন্ট খোলা থাকবে: ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদ: করোনা মোকাবেলায়...

বিস্তারিত
টেকনাফে ৪ মাদক ব্যবসায়ী নিহত

কক্সবাজার সংবাদদাতা: কক্সবাজারের...

বিস্তারিত
যশোরের সেই এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার

যশোর সংবাদদাতা: যশোরের মনিরামপুরে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *