সবার আগে খবর দিতে গিয়ে মান যেন নষ্ট না হয়: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৬:৫৮, ০৪ মার্চ ২০২০

আপডেট: ১০:২৯, ০৪ মার্চ ২০২০

নিজস্ব সংবাদদাতা: সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ দিতে গিয়ে সংবাদের গুনগত মান যাতে নষ্ট না হয়, সেদিকে নজর রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এজন্য পিআইবিকে বেশি বেশি কর্মশালা আয়োজনের পরামর্শ দেন তিনি।

আজ (বুধবার) জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রয়াত সাংবাদিক শাহ আলমগীর স্মরণে গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ জানান, অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোর রেজিস্ট্রেশন করার জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছিল। সেখানে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি আবেদন পড়েছে। আইপি টিভিগুলোকেও আমরা রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার কথা বলেছি। এখানে ৫০০-এর বেশি আবেদন পড়েছে। আমরা অনেক আগে থেকেই রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম, কিন্তু পারিনি।

কারণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত প্রতিবেদন আমরা পাইনি। বারবার তাগাদা দেওয়ার পর কিছু সংখ্যক প্রতিবেদন পেয়েছি। একটি সংস্থা থেকে এক হাজারেরও বেশি আরেকটি সংস্থা থেকে একশর’ কম প্রতিবেদন পেয়েছি। সুতরাং একটি সংস্থার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তো রেজিস্ট্রেশন দেওয়া যায় না, সেজন্য আরেকটু সময় অপেক্ষা করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে কিছু প্রতিষ্ঠিত অনলাইন পোর্টাল আছে। সেগুলোকে বাদ দিয়ে শুধু যাদের তদন্ত রিপোর্ট পেয়েছি, তাদের দিতে চাচ্ছি না। প্রতিষ্ঠিত অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোকে প্রথম ধাপেই রেজিস্ট্রেশন দিতে চাই। তাদের রিপোর্ট যেন দ্রুত আসে, সেজন্য অপেক্ষা করছি। ১৭ মার্চের পর থেকে আমরা রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার চেষ্টা করবো। তবে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আসলে মিডিয়াগুলোতে শৃঙ্খলা আসবে।

স্বপ্নের সারথি শাহ আলমগীরবইয়ের মোড়ক উন্মোচনে . হাছান মাহমুদ আরও জানান, প্রেস ইনস্টিটিউট প্রেস কাউন্সিলকে শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয়, ঢাকার বাইরে বড় বড় শহরে কর্মশালা করার কথা। অনেক ক্ষেত্রে একটা যেনতেন অনলাইনে অ্যাপয়েনমেন্ট নিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাংবাদিকতার আড়ালে অন্য কিছু করে। এগুলো নিয়ে আমাদের কাজ করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।

সাংবাদিক শাহ আলমগীরের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী জানান, ‘মানুষ বাড়ছে, কিন্তু ভালো মানুষের সংখ্যা কমছে। আর মানুষ প্রচন্ডভাবে আত্মকেন্দ্রিক হচ্ছে। নিজেকে নিয়ে ভাবে। আর সব মানুষের মাঝে এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতা, সেটা হচ্ছে কাকে ছেড়ে কে উপরে উঠবে। এই পরিস্থিতির মধ্যে ভালো মানুষ খুবই প্রয়োজন। শাহ আলমগীরের কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।  তিনি নির্লোভ, নির্মোহ এবং প্রচারবিমুখ একজন মানুষ ছিলেন। তিনি সহকর্মীদের জন্য ছিলেন সহায়ক। সমাজে তার মতো মানুষের অত্যন্ত প্রয়োজন আছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, ইশতিয়াক রেজাসহ প্রমুখ।

এই বিভাগের আরো খবর

করোনা মোকাবেলায় বিএনপির ২৭ দফা প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাসের...

বিস্তারিত
সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস ফখরুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা সংকট...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *