‘জয় বাংলা’ এখন থেকে জাতীয় স্লোগান

প্রকাশিত: ১২:০৮, ১০ মার্চ ২০২০

আপডেট: ১০:১৪, ১০ মার্চ ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘জয় বাংলা’ হবে জাতীয় স্লোগান। এমন রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে সকল রাষ্ট্রিয় অনুষ্ঠান ও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের সমাবেশের (অ্যাসেম্বলি) পর জয় বাংলা বলতে হবে। এ সংক্রান্ত রুল নিষ্পত্তি শেষে আজ (মঙ্গলবার) হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন।

রায়ে আদালত বলেছেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সর্বস্তরের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান বলতে ও দিতে হবে।

আদালত আরো বলেন, সামনে যেসব জাতীয় দিবস আছে, প্রতিটি দিবসে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রের শীর্ষপর্যায় থেকে শুরু করে সর্বস্তরের প্রত্যেক দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে ভাষণ বা বক্তব্যের শুরু ও শেষে জয় বাংলা স্লোগান দিতে হবে।

‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. বশির আহমেদ। রিটের ওপর রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

রুলে, ‘জয় বাংলা’কে কেন জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব ও শিক্ষা সচিবকে জবাব দিতে বলা হয়।

রুল নিষ্পত্তি শেষে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রায় ঘোষণা করা হলো।

রায় ঘোষণার সময় আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, ‘জয় বাংলা জাতীয় ঐক্যের স্লোগান। জয় বাংলা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের প্রিয় স্লোগান এবং জয় বাংলা ৭ মার্চের ভাষণের সাথে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’

আদেশে আদালত বলেন,

ক. আমরা ঘোষণা করছি যে, জয় বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হবে।

খ. সকল জাতীয় দিবসগুলোতে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে সাংবিধানিক পদাধিকারীগণ এবং রাষ্ট্রীয় সকল কর্মকর্তা সরকারি অনুষ্ঠানের বক্তব্য শেষে জয় বাংলা স্লোগান উচ্চারণ যেন করেন, সে জন্য বিবাদীরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

গ. সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অ্যাসেম্বলি সমাপ্তির পরে ছাত্র শিক্ষকগণ যেন জয় বাংলা স্লোগান উচ্চারণ করেন, তার জন্য বিবাদীরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

আদালতের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন ৩ মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে দাখিলে নির্দেশ দেওয়া হয়।

২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর ওই রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। রুলে ‘জয় বাংলা’কে কেন জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়েছিলেন হাইকোর্ট।

পরে ৫ ডিসেম্বর থেকে এ রুলের শুনানি শুরু হয়। রুলের বিবাদীরা হচ্ছেন- মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব ও শিক্ষা সচিব।

এই বিভাগের আরো খবর

করোনা বিএনপিকে বদলাতে পারেনি: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাণঘাতী করোনা...

বিস্তারিত
সরকার অদক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা পরিস্থিতি...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *