লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা বঙ্গবন্ধুর

প্রকাশিত: ১২:২৮, ২২ মার্চ ২০২০

আপডেট: ১২:৩২, ২২ মার্চ ২০২০

কাজী বাপ্পা: স্বাধীনতার সংগ্রাম, একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সাথে অবিচ্ছেদ্য নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নিজের বিরল ত্যাগী ও সৎ রাজনীতি দিয়ে হয়েছিলেন দেশের মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক। এবছর স্বাধীনতার মাস মার্চ ফিরেছে বিশেষ উপলক্ষ্য নিয়ে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এই মাসে। তাই এবার, একাত্তরের এই মাসে জাতির জনক শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক পদক্ষেপগুলো নিয়ে বৈশাখী সংবাদের ধারাবহিক বিশেষ আয়োজন ‌'যাঁর নামে স্বাধীনতা'। 

একাত্তরের ২২শে মার্চ ঢাকায় বাঙালির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর উপস্থিতিতে মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক হয়। আলোচনার অগ্রগতির কথা জানিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, “আলোচনার যদি কোন অগ্রগতি না হত তাহলে কেন আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি? ভুট্টোর সঙ্গে আলোচনা নির্ধারিত ছিল না।” (সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক; শিরোনাম- অচিরেই সামরিক আইন প্রত্যাহার হতে যাচ্ছে।)

শেখ মুজিব বলেন, “চার দফা পূর্বশর্ত পূরণ করা না হইলে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিবে না। ইয়াহিয়া-ভুট্টো উভয়েই উহার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হইয়াছেন বলে অনুমিত হইতেছে।” সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক; শিরোনাম- অচিরেই সামরিক আইন প্রত্যাহার হতে যাচ্ছে।) নতুন ঘোষিত তারিখ অনুসারে ২৫শে মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বসার জন্য নির্ধারিত ছিল। 

২২শে মার্চ বঙ্গবন্ধু তাঁর ধানমন্ডি বত্রিশ নম্বরের বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে, লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। 

এই বিভাগের আরো খবর

‘আল্লাহ ছাড়া কাহারও কাছে মাথানত করি নাই’

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
ভৈরবে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন বঙ্গবন্ধু

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *