পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে দ্রুত ও জোরালো ব্যবস্থা নেয়া হবে: মঞ্জু আপডেট: ০৪:৩১, ১৯ জুন ২০১৭

সংসদ প্রতিবেদক: পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে দ্রুত ও জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। সে-লক্ষ্যে নিয়মিত মামলা ও বলবৎকরণ কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।  

ফরিদুল হক খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো জানান, জলাভূমি ভরাট করার অপরাধে চলতি বছরের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া শিল্প বর্জ্য থেকে দূষণ কমানোর লক্ষ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে তরল বর্জ্য নির্গমনকারী সকল শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ‘জিরো টলারেন্স’ পলিসি বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

একই প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ মন্ত্রী জানান, চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ২,৮৯১টি প্রতিষ্ঠান থেকে পরিবেশ দূষণের জন্য ২৩৪ কোটি ৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়েছে এবং তার মধ্যে আদায় করা হয়েছে ১৪৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। এ সময়ের মধ্যে ১,৫৫৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপিত হয়েছে।  

সরকারি দলের সদস্য এ. কে. এম. রহমতুল্লাহ’র এক প্রশ্নের জবাবে মঞ্জু জানান, শিল্পদূষণ থেকে পানি যাতে দূষিত না হয়, তার জন্য কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন করে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।  

তিনি আরো জানান, বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীকে পরিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করে নদীগুলোর ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। আর হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফাণ্ড হতে সারা দেশে বনায়নের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ১৪৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

 

Publisher : .