পলাতক আরো পাঁচ খুনির কে কোথায়?

প্রকাশিত: ০৫:১৩, ০৭ এপ্রিল ২০২০

আপডেট: ০৫:১৩, ০৭ এপ্রিল ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ৩৪ বছর পর ২০১০ সালে ১২ খুনিকে মৃত্যুদণ্ড দেন সর্বোচ্চ আদালত। তাদের ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলেও বাকি ৭ জনের মধ্যে ২০০১ সালে জিম্বাবুয়েতে আজিজ পাশার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

বিভিন্ন দেশে পালিয়ে ছিলেন বাকি ৬ ফাঁসির আসামি।এর মধ্যে মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল, ২০২০) রাত সাড়ে তিনটায় দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবদুল মাজেদকে রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। গ্রেফতারের পর মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াৎ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর বেলা ১টা ৫ মিনিটের দিকে তাকে প্রিজন ভ্যানে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর এই খুনি ২৫ বছর ধরে ভারতের কলকাতায় পালিয়ে ছিলেন বলে তথ্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বাকি ৫ খুনি এখনও পলাতক: জাতির পিতার খুনিদের মধ্যে পলাতক ৫ জনকে ফিরিয়ে এনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের উদ্যোগের কথা সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কে কোন দেশে পালিয়ে রয়েছেন, সে সংক্রান্ত সব তথ্য এখনও জোগাড় করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। এই ৫ জন হলেন খন্দকার আবদুর রশিদ, এ এম রাশেদ চৌধুরী, শরিফুল হক ডালিম, এসএইচএমবি নূর চৌধুরী, আবদুল মাজেদ ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন খান।

পলাতক এই ৫ জনের বিষয়ে ইন্টারপোল থেকে ‘রেড নোটিশ’ জারি করা আছে। ২০০৯ সালে এই নোটিশ জারির পর প্রতি পাঁচ বছর পরপর নবায়ন করা হচ্ছে। এই ৫ জনের মধ্যে রাশেদ চৌধুরী ও নূর চৌধুরীর অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ইন্টারপোলের বাংলাদেশ শাখা ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, নূর চৌধুরীর কানাডায় এবং রাশেদ চৌধুরীর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকিদের অবস্থান কোথায়, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। নূর চৌধুরী কানাডায় থাকলেও ফাঁসির আসামি বলে তাকে ফেরত দিতে অনীহা দেখিয়ে আসছে দেশটির সরকার। যদিও তাকে ফেরত পেতে বারবার দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ। রাশেদ চৌধুরীর ক্ষেত্রেও কোনো অগ্রগতি নেই। বাংলাদেশ তাকে ফেরত চাইলেও যুক্তরাষ্ট্র তা এড়িয়ে যাচ্ছে বার বার।

মাজেদ ও মোসলেম উদ্দিনের মধ্যে মাজেদ ভারতে পালিয়ে ছিলেন।আর মোসলেম পাকিস্তানে বলে শোনা যাচ্ছে। পাকিস্তান কোনো জবাব না দেয়ায় রিমাইন্ডার দেয়ার পরও কোনো উত্তর মেলেনি। রশিদ ও ডালিমের অবস্থানের বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য নেই।
তবে রশিদের ব্যাপারে সম্ভাব্য যেসব দেশের নাম শোনা যাচ্ছে তা হচ্ছে ফ্রান্স, ইতালি, লিবিয়া, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। আর ডালিম চীন, ইংল্যান্ড, হংকং, কেনিয়া, লিবিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে কোনো এক দেশে আছে। প্রতিটি দেশে চিঠি পাঠিয়ে সহযোগিতা চাওয়া হলেও তার কোনো জবাব এখনও মেলেনি।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার অবিসংবাদিত নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হন। গত ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মগ্রহণের শততম বছর পূর্ণ হয়েছে। এ লক্ষ্যে বছরব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। এ অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে দণ্ড কার্যকর করার বিষয়টি সামনে চলে এসেছে।

এই বিভাগের আরো খবর

সময়ের সম্মুখ যোদ্ধা পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক: করোনা ভাইরাসে বিশ্বে...

বিস্তারিত
চকরিয়ায় বৃদ্ধকে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ৩

অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক...

বিস্তারিত
সব উপজেলায় টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী এক সপ্তাহের...

বিস্তারিত
মাস্ক না পরলে ৬ মাসের সাজা, লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চলমান করোনা সংকটের...

বিস্তারিত
আবারও শপথ নিলেন হাইকোর্টের ১৮ বিচারপতি 

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুপ্রিম কোর্টের...

বিস্তারিত
১৫ জুন পর্যন্ত চলবে ভার্চ্যুয়ালি বিচারকাজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাসের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *