১২ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৫:৫৩, ১৮ মে ২০২০

আপডেট: ১০:১৭, ১৮ মে ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঘূর্ণিঝড় আম্পান উপকূলের দিকে ধীরগতিতে এগোলেও বেশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে। এই ঘূর্ণিঝড় খুলনা চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরই প্রেক্ষাপটে ৫১ লাখ ৯০ হাজার মানুষের জন্য ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। আগামীকাল সকাল থেকে মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

আজ (সোমবার) ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতি বিষয়ে অনলাইন ব্রিফিংয়ে কথা জানান প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে মংলা পায়রা বন্দরকে নম্বর বিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আজকে সন্ধ্যার পর এটি সুপার সাইক্লোনে রূপ ধারণ করবে।বিপর্যয় এড়াতে১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। যেখানে প্রায় ৫১ লাখ ৯০ হাজার ১৪৪ জনকে আশ্রয় দেয়ার মতো আমাদের সক্ষমতা রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেনএখন করোনা সংক্রমণের সময় তাই প্রত্যেকটি আশ্রয়কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বলেছি। যারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসবেন তাদের মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের সিপিপি (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) ভলান্টিয়ারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তারা যেন আগামীকাল সকাল থেকে সকলকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার কাজ করেন। কাজকে ত্বরান্বিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও কাজ করবে।

সোমবার দুপুর পর্যন্ত দুই হাজার ৫৬০ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে গেছেন জানিয়ে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতের মধ্যে সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হবে। একটি মানুষকেও যাতে প্রাণ হারাতে না হয়, সে ব্যাপারে সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অন্য যে কোনো দুর্যোগের থেকে এবার সব থেকে বেশি সংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তু রাখা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রে যারা আশ্রয় নেবেন তাদের জন্য তিন হাজার ১০০ টন চাল, ৫০ লাখ নগদ টাকা, শিশু খাদ্য কিনতে ৩১ লাখ টাকা, গোখাদ্য কিনতে ২৮ লাখ টাকা এবং চার হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার পাঠানো হয়েছে। সিভিল সার্জনদের নেতৃত্বে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধসহ ওইসব টিম প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যুৎ গেলে বিকল্প ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কোনো বাঁধ ভেঙে গেলে সেনাবাহিনীর সহায়তায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে তা নির্মাণ করবে বলেও জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

এই বিভাগের আরো খবর

অপহরণের ২ দিন পর শিশু উদ্ধার

মাদারীপুর সংবাদদাতা: গাজীপুর থেকে...

বিস্তারিত
ফরিদপুরে চালু হলো কৃষক বাজার

ফরিদপুর সংবাদদাতা: ফরিদপুরে চালু হলো...

বিস্তারিত
ঝালকাঠির ছৈলার চরে পর্যটন সম্ভাবনা

ঝালকঠি সংবাদদাতা : নানা প্রজাতির...

বিস্তারিত
যশোরে দেখা মিলছে জোনাক পোকার

যশোর সংবাদদাতা : গ্রামবাংলার...

বিস্তারিত
বাগেরহাটে করোনার নমুনা পরীক্ষায় ভোগান্তি

বাগেরহাট সংবাদদাতা: বাগেরহাট জেলায়...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *