করোনা হলে কোথায় যাবেন

প্রকাশিত: ০৮:০৪, ০৪ জুন ২০২০

আপডেট: ১০:১৭, ০৪ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই বাড়ছে আক্রান্ত মৃতের সংখ্যা। বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ গবেষণা ইন্সটিটিউট বা আইইডিসিআর জানায়, করোনাভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলো দেখা দিতে ১৪ দিন পর্যন্ত সময় লাগে। ফলে এই সময়টাতে সবাইকে স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। অর্থাৎ বাড়িতে একা থাকতে হবে, কারো সঙ্গে মেলামেশা করা যাবে না।

কী ধরণের লক্ষণে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন

জ্বর দিয়ে ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়, এরপর শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে। সেই সঙ্গে মাথাব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা ব্যথা, জ্বর ইত্যাদি হতে পারে। প্রায় এক সপ্তাহ পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যায়। অনেক রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হয়। প্রতি চারজনের মধ্যে অন্তত একজনের অবস্থা মারাত্মক পর্যায়ে যায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, আক্রান্ত হলেও বাড়িতে বসেই চিকিৎসা নিতে হবে। তবে হাসপাতালে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে জানাতে হবে। তখন কর্তৃপক্ষই বাড়ি থেকে হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে।

করোনার চিকিৎসা যেসব হাসপাতালে

নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) সুবিধা আছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, মহানগর হাসপাতাল, আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতাল  সাজেদা ফাউন্ডেশেনে।

এর মধ্যে কোনো কোনোটিতে আবার ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা নেই। আসন থাকা সাপেক্ষে এই হাসপাতালগুলোয় রোগী ভর্তি করা হচ্ছে।ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৯১০, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে শয্যা সংখ্যা ৪৮, ডয়ালাইসিস মেশিন ৩০টি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ- (নতুন ভবন) বা বার্ন ইউনিটের নিচের জরুরি বিভাগে রোগীকে নিয়ে যেতে হবে।

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ৫০০ শয্যার, আইসিইউ শয্যা ২৭, ডায়ালাইসিস মেশিন আছে ৩২টি।

বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ২৫০, আইসিইউ শয্যা ২৬টি পাঁচটি ডায়ালাইসিস মেশিন।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ৫০০, আইসিইউ শয্যা ১০ টি, ডায়ালাইসিস মেশিন ৩২ টি।

মহানগর জেনারেল হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা ১৫০, আইসিইউ শয্যা , ডায়ালাইসিস সুবিধা নেই।মিরপুর লালকুঠি হাসপাতালে ২০০ শয্যা পাঁচটি আইসিইউ শয্যা আছে। এখানে রোগী ভর্তি শুরু হয়েছে। আইসিইউ শিগগিরই চালু হবে।

নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে সাজেদা ফাউন্ডেশনে টি শয্যা আছে, আইসিইউ শয্যা আছে পাঁচটি। ডায়ালাইসিস মেশিন আছে ১টি

উপজেলা প্রশাসন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। কোনো রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হলে প্রশাসন অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে কিংবা সাজেদা ফাউন্ডেশন নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে আসে।

এই বিভাগের আরো খবর

চট্টগ্রামে হেলে পড়া ভবন ভাঙ্গার কাজ শুরু

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা: চট্টগ্রামের...

বিস্তারিত
পেনশনের টাকায় পাঠাগার

রাজশাহী সংবাদদাতা: পেনশনের টাকায়...

বিস্তারিত
পানিতে লবনাক্ত বাড়ায় আতঙ্কিত কৃষকরা

ন্যাশনাল ডেস্ক: হঠাৎ করেই লবনাক্ত হয়ে...

বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জে একজনকে কুপিয়ে হত্যা

সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা: সিরাজগঞ্জের...

বিস্তারিত
লৌহজংয়ে ১০০ মণ জাটকা জব্দ

মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা: মুন্সীগঞ্জের...

বিস্তারিত
লালমনিরহাটে যুবলীগ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ, আহত ৫

লালমনিরহাট সংবাদদাতা: লালমনিরহাট...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *