রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদ গ্রেফতার

প্রকাশিত: ০৮:৫০, ১৪ জুলাই ২০২০

আপডেট: ০৩:২৮, ১৪ জুলাই ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: বহুল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল প্রতারণা মামলার প্রধান আসামি ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বিশেষ অভিযানে আজ (বুধবার) ভোরে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাবের হেলিকপ্টারে করে সাহেদকে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় আনা হয়। সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে সে ভারতে পালানোর চেষ্টা করছিলো বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফট্যানেন্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ।

র‌্যাব জানায়, সাতক্ষীরার দেবহাটার সাকড় বাজারের পাশে অবস্থিত লবঙ্গপতি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। রিজেন্ট কাণ্ডে মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ পারভেজকে।

এর আগে সাহেদকে ধরতে রাজধানী বিভিন্ন এলাকা ও মৌলভীবাজারে কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

করোনা চিকিৎসায় জালিয়াতি ও ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গত ৬ জুলাই র‌্যাব উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায়। সেখান থেকে ৮ জনকে আটক ও হাসপাতালটি সিলগালা করে দেয়া হয়। এরপর অভিযান চালানো হয় রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর শাখায়। ঐ শাথাও সিলগালা করে দেওয়া হয়।

৭ জুলাই করোনা পরীক্ষা ভুয়া সার্টিফিকেট দেয়াসহ নানা অভিযোগ এনে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে র‌্যাব। এই মামলায় সাহেদকে প্রধান আসামি করে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে ৮ জনকে গ্রেফতার ও ৯ জন আসামিকে পলাতক দেখানো হয়।

গত বৃহস্পতিবার রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করে পুলিশ। জব্দ করা হয় পাসপোর্টও। সেদিনই বিমানবন্দর, সীমান্ত, রিসোর্ট, হোটেল মোটেলে নজরদারি বাড়ানো হয়। এর পর বেরিয়ে আসে আরও ২৩ মামলার খবর। বর্তমানে সাহেদের বিরুদ্ধে মোট মামলা রয়েছে ৫৯টি।

এর আগে মঙ্গলবার, গাজীপুর থেকে রিজেন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মাসুদ পারভেজকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। এদিন মামলায় গ্রেপ্তারকৃত সাতজনকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠায় আদালত। এছাড়া র‌্যাবের দায়ের করা মামলাটি ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়।

গত বুধবার রাতে রাজধানীর নাখালপাড়া থেকে সাহেদের প্রধান সহযোগী তারেক শিবলীকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় টেলিভশনের নাটক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টেলিহোমের মালিক ও সাহেদের ভায়রা মোহাম্মদ আলী বশিরকে। তবে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে সাহেদের তোলা ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
 

এই বিভাগের আরো খবর

পুরনো রূপে ঢাকা, তীব্র যানজট

ফাহিম মোনায়েম: পুরনো রূপে ফিরেছে...

বিস্তারিত
রাজধানীতে আবাসন ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বসুন্ধরা...

বিস্তারিত
আবারও বাড়লো সোনার দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: আবারও সোনার দাম...

বিস্তারিত
আজও ঢাকায় ফিরছেন অনেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঈদ উদযাপন শেষে...

বিস্তারিত
বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান আর নেই 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির ভাইস...

বিস্তারিত
ছুটি শেষে আজো ঢাকায় ফিরছে মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রিয়জনের সাথে ঈদ...

বিস্তারিত
ঢাকায় ফিরছে মানুষ, খুলেছে অফিস

অনলাইন ডেস্ক: প্রিয়জনের সাথে ঈদ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *