রাজবাড়ী ও পটুয়াখালীতে জলাবদ্ধতার কারণে দুর্ভোগ 

প্রকাশিত: ১১:৪৯, ১৬ জুলাই ২০২০

আপডেট: ০২:০৩, ১৬ জুলাই ২০২০

নিজস্ব সংবাদদাতা: জেলা ও পৌর শহরের দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় পদ্মাপাড়ের রাজবাড়ি শহর বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতায় রূপ নেয়। ঠিকাদার নিয়োগ হলেও নির্মাণ হয়নি ড্রেন। ফলে পৌরবাসির ব্যবহার করা বর্জ্যসহ জলাবদ্ধতা রাজবাড়ি পৌরবাসির নিত্যদিনের সঙ্গী। এদিকে পটুয়াখালী জেলা শহরের জলাবদ্ধতার কয়েক দশকের দুঃখ এখনো ঘোচেনি।

রাজবাড়ি জেলা শহর ও সদর পৌরসভা এলাকা বর্ষার শুরু থেকেই একটি ভোগান্তির শহরে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পৌর এলাকার বাসিন্দাদের হাঁটু পানি ভেঙ্গে পথ পাড়ি দিতে হয়। শহরের অলিগলি থেকে শুরু করে প্রধান সড়কেও পানি জমে যায়। শহরের ড্রেনগুলো ময়লা আবর্জনায় পূর্ণ থাকায় বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন হয় না। পানি জমে বাসাবাড়িতে ঢুকে যায়। জলাবদ্ধতায় নাগরিক ভোগান্তির পাশাপাশি দেখা দিচ্ছে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ। 

রাজবাড়ী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী এএইচএস মো: আলী খান জানান, গত বছর ৫৩ লাখ টাকা চুক্তিমূল্যে বাজার এলাকায় ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করে উজ্জল এন্টার প্রাইজ নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটিকে পুরো টাকা পরিশোধ না করায় ড্রেন নির্মাণের কাজ শেষ করা যায়নি।

ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে নাগরিক ভোগান্তি চরমে পৌঁছালেও ড্রেন পরিষ্কারের কাজ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেন পৌর মেয়র।

এদিকে, পটুয়াখালী জেলা শহরে অল্প বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার। আশাপাশের খাল ও নদ-নদীতে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণের কারণে দীর্ঘ দিনের জলাবন্ধতার সমস্যা এখনো কাটেনি বলে দাবি করেন পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ।

লঞ্চঘাট, কাঠপট্টি, পুরান বাজার, আদালতপাড়া, সবুজবাগসহ শহরের অর্ধেক অংশই সামান্য বৃষ্টিতে হাঁটুপানির নিচে তলিয়ে যায়।
 
 

এই বিভাগের আরো খবর

আজও বজ্র-বৃষ্টির পূর্বাভাস

ডেস্ক প্রতিবেদন : প্রচন্ড তাপদাহের পর...

বিস্তারিত
কুড়িগ্রামে নদ-নদীতে তীব্র ভাঙন

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা: কুড়িগ্রামে...

বিস্তারিত
পদ্মায় ফেরি চলাচল আজও ব্যাহত

ডেস্ক প্রতিবেদন: পদ্মায় নাব্যতা সংকট...

বিস্তারিত
উত্তরে পানি কমেছে, বেড়েছে ভাঙন

ডেস্ক প্রতিবেদন : দেশের উত্তরাঞ্চলের...

বিস্তারিত
বন্যায় ১২ হাজার কিলোমিটার সড়কের ক্ষতি

পার্থ রহমান: এবারের বন্যায় দেশের ৪০টি...

বিস্তারিত
৭ মাস বেতন নেই হলি ফ্যামিলির ডাক্তার-নার্সদের

আশিক মাহমুদ: হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *