পঞ্চাশে পা দিলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রকাশিত: ০৭:৫২, ২৭ জুলাই ২০২০

আপডেট: ০৮:২৮, ২৭ জুলাই ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫০তম জন্মদিন আজ। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। সজীব ওয়াজেদ জয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিশিষ্ট পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার একমাত্র পুত্র। দেশ স্বাধীনের পর নানা শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে আসার পর তার নাম রাখেন জয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কারিগর হিসেবে কাজ করছেন পরিশ্রমী, মেধাবী সজীব ওয়াজেদ জয়।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার সময় মা ও বাবার সাথে ছিলেন জার্মানিতে। পরে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে চলে যান। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে। সেখানকার নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক করেন তিনি। পরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তাঁদের একটি মেয়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় বসবাস করেন তিনি। 

২০১০ সালের ২৫  ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হন তিনি। বর্তমানে মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। ২০০৭ সালে জয় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই বিশেষজ্ঞ। বর্তমানে দলীয় ঘরানা ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন জয়।

বিশেষ করে দেশের তরুণদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে আত্মনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কর্মসূচি ও পদক্ষেপ নিচ্ছেন তিনি।

দেশ গঠনে তরুণদের মতামত, পরামর্শ শুনতে জয়ের ‘লেটস টক’ ও ‘পলিসি ক্যাফে’ নামের দুটি অনুষ্ঠান এরই মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছে। এ ছাড়া তিনি তরুণ উদ্যোক্তা ও তরুণ নেতৃত্বকে একসঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষিত করতে তরুণদের বৃহত্তম প্ল্যাটফর্ম ‘ইয়াং বাংলার’ সূচনা করেন। 

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে ইন্টারনেটকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ইউনিয়ন পর্যায়ের পাশাপাশি চর বা পার্বত্য অঞ্চলের মতো প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যেসব এলাকা ইন্টারনেট সুবিধার বাইরে আছে, কাজ চলছে সেগুলোতেও। 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় জাতির পিতার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। 

এই বিভাগের আরো খবর

আওয়ামী লীগ কুৎসা রটায়: নজরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুৎসা রটিয়ে আওয়ামী...

বিস্তারিত
বিএনপির এখন দুঃসময় চলছে: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাম্প্রদায়িক...

বিস্তারিত
সারাদেশে নানা আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন

ডেস্ক প্রতিবেদন: নানা আনুষ্ঠানিকতায়...

বিস্তারিত
ইতিহাস বিকৃতির জনক জিয়া: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ সাধারণ...

বিস্তারিত
সাহেদ ধুরন্ধর ভদ্রবেশী: বিচারক

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনার নমুনা...

বিস্তারিত
প্রতীক পেলেন ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা-৫ আসনের...

বিস্তারিত
দেশে এখন কারো নিরাপত্তা নাই: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *