নামাজ শেষে পশু কোরবানিতে ব্যস্ত মানুষ

প্রকাশিত: ১২:০৪, ০১ আগস্ট ২০২০

আপডেট: ১২:০৪, ০১ আগস্ট ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। করোনা মহামারিতে আজ (শনিবার) মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় সামর্থ্যবান মুসলমানেরা ত্যাগের মহিমায় নামাজের পর পরই পশু কোরবানি শুরু করেছেন।

রাজধানীতে আজ (শনিবার) সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে নামাজ শেষ করেই পশু কোরবানি শুরু করা হয়েছে। পাড়া মহল্লার গলির মধ্যে চলছে পশু কোরবানি। গরু জবাই দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জেনরা। কেউ অপেক্ষা করছেন হুজুরের জন্য।

সিটি করপোরেশন থেকে নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি করার নির্দেশনা থাকলেও রাজধানীর অলি-গলিতে কোরবানি করতে দেখা যায়।

‘আল্লাহু আকবার. আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাহু, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ’ তাকবির ধ্বনি দিতে দিতে ঈদ জামাতে হাজির হন মুসলি­রা।  

ঈদগাহ অথবা খোলা মাঠে নামাজের নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে সবাই মসজিদের ভেতরে নামাজ আদায় করেন। নামাজের পর বিশেষ মোনাজাতে দেশ-জাতি তথা বিশ্ব মুসলিমের জন্য দোয়া করা হয়। একই সঙ্গে করোনা-বন্যার মতো মহামারি থেকে মুক্তির জন্য আল­াহর কাছে পানাহ চাওয়া হয়।

ঈদুল আজহা হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার পুত্র হজরত ইসমাইলের (আ.) সঙ্গে সম্পর্কিত। হজরত ইব্রাহিম (আ.) স্বপ্নে মহান আল্লাহর আদেশে পুত্র ইসমাইলকে আল্লাহর উদ্দেশে কোরবানি করতে গিয়েছিলেন। আল্লাহর পক্ষ থেকে এ আদেশ ছিল হজরত ইব্রাহিমের জন্য পরীক্ষা। তিনি পুত্রকে আল­াহর নির্দেশে জবাই করার সব প্রস্তুতি নিয়ে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

ইসলামে বর্ণিত আছে, নিজের চোখ বেঁধে পুত্র ইসমাইলকে ভেবে যখন জবেহ সম্পন্ন করেন, তখন চোখ খুলে দেখেন ইসমাইলের পরিবর্তে পশু কোরবানি হয়েছে, যা এসেছিল আল্লাহর তরফ থেকে। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি ধারণ করেই হজরত ইব্রাহিমের (আ.) সুন্নত হিসেবে পশু জবাইয়ের মধ্য দিয়ে কোরবানির বিধান এসেছে ইসলামি শরিয়তে।

সেই মোতাবেক প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য পশু কোরবানি করা ওয়াজিব বা কারো কারো মতে সুন্নত। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর সুন্নত হিসেবে কোরবানির মাংস তিন ভাগের এক ভাগ গরিবের হক ও এক ভাগ আত্মীয়ের হক হিসেবে বণ্টন করা হয়। বাকি এক ভাগ নিজেদের জন্য রাখা হয়।

এ নিয়মটি উত্তম হলেও কোরবানি যিনি দিচ্ছেন, তিনি চাইলে পুরো বা আংশিক মাংস নিজেদের জন্য রাখতে পারেন বা বিলিয়েও দিতে পারেন।
 
জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখের যে কোনো দিন পশু কোরবানি করা যায়। তবে মহানবী (সা.) ১০ জিলহজ ঈদুল আজহার দিন কোরবানি করাকেই উত্তম ঘোষণা করেছেন। সেই মোতাবেক এবার শনিবার ১০ জিলহজই বেশিরভাগ মানুষ পশু কোরবানি করছেন।
 

এই বিভাগের আরো খবর

করোনা নিয়ে অনলাইন বুলেটিন আর হবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা ভাইরাস বিষয়ে...

বিস্তারিত
করোনায় প্রাণ হারালেন আরেক পুলিশ সদস্য

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা: করোনায় আক্রান্ত...

বিস্তারিত
শুভ জন্মাষ্টমী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: হিন্দু...

বিস্তারিত
করোনায় বদলাচ্ছে ভোক্তার আচরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা পরিস্থিতিতে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *