মুন্সীগঞ্জে কমছে পানি, বাড়ছে ভাঙ্গন

প্রকাশিত: ১২:৫৭, ০৯ আগস্ট ২০২০

আপডেট: ১২:৫৭, ০৯ আগস্ট ২০২০

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢল কিছুটা কমেছে। ফলে ধীরগতিতে কমতে শুরু করেছে  মুন্সীগঞ্জের বন্যার পানি। আজ (রবিবার) জেলার ভাগ্যকুল পয়েন্টে  পদ্মা নদীর পানি কিছুটা কমে বিপদসীমার ৪২ সেন্টিমিটার এবং মাওয়া পয়েন্টে ৩৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।  এদিকে, মেঘনা ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বিপদসিমার ৫০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অপরদিকে, পানি কমতে থাকায় তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে পদ্মা,মেঘনা ও ধলেশ্বরী নদীতীরবর্তি গ্রাম গুলোতে। গত কয়েকদিনে সিরাজদিখানেও দেখা দিয়েছে ধলেশ্বরী নদীর ভাঙ্গন। চলতি বন্যায় ইতোমধ্যে জেলার ৩৯টি ইউনিয়নে ২৬৫ টি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সরকারি হিসাবে পানি বন্দি হয়ে পরেছে এসব এলাকার দেড় লক্ষাধিক মানুষ। এদের মধ্যে ৬১৭টি পরিবার আশ্রয়ন কেন্দ্রে অবস্থান করছে।  ভেসে গেছে জেলার ১৭শ ২টি পুকুরের মাছ। এতে মাছ চাষীদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ৯কোটি টাকা।

এদিকে, বন্যায় অনেক এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। বাড়ছে পানিবাহীত রোগ। গরু খাদ্যের সংকট চরম আকাড় ধারন করছে। বেশিরভাগ এলাকায় সরকারি ত্রান সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে বিস্তর।

জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন অফিস জানিয়েছে, জেলায় বন্যা কবলিতদের জন্য  এপর্যন্ত সরকারি বরাদ্দের খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম বন্যাদূর্গতদের মাঝে পৌছে দেয়া হচ্ছে ।  শুধু খাদ্যই নয়   বিতরণ করা হচ্ছে নগদ অর্থ।

মুন্সীগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডে সহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপ কিছুটা কমছে। তাই জেলার বর্তমান  বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন  পানি কমবে। তবে নদী তীরবর্তী গ্রাম গুলোতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন রোধে বালিভর্তি জিও ব্যাগ ফেলানো হচ্ছে   বলেও তিনি জানান।

এই বিভাগের আরো খবর

উত্তরে পানি কমেছে, বেড়েছে ভাঙন

ডেস্ক প্রতিবেদন : দেশের উত্তরাঞ্চলের...

বিস্তারিত
মাগুরার গড়াই নদী ভাঙনে আতঙ্কে এলাকাবাসী

মাগুরা সংবাদদাতা: মাগুরার শ্রীপুর...

বিস্তারিত
বন্যায় প্রায় ৫৭৭২ কোটি টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: এ বছরের বন্যায় এখন...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *