বন্যায় গোপালগঞ্জে পাট চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি            

প্রকাশিত: ১০:৫০, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

আপডেট: ১০:৫০, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

গোপালগঞ্জ সংবাদদাতা: এবারের বন্যায় গোপালগঞ্জে পাট চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দীর্ঘদিন জমিতে পানি জমে থাকায় পাট গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। যারা বন্যার পানির মধ্যে পাট কেটে জাগ দিয়ে আঁশ বের করেছেন তারাও বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন না। 

পাট চাষের উপযোগী স্থান হচ্ছে গোপালগঞ্জ। দেশের মোট পাট চাষের বড় অংশ পাট চাষ হয় গোপালগঞ্জে । তবে গোপালগঞ্জ সদর, মুকসুদপুর, কাশিয়ানী ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় বেশি করে পাট চাষ করা হয় এবং পাটের উৎপাদনও ভালো হয়। কিন্তু গত জুলাই এবং আগস্ট মাসে জেলায় দুই দফা বন্যা হয়েছে। এতে জেলার ৪টি উপজেলার বেশির ভাগ পাটের জমিতে বন্যার পানি প্রবেশ করে। 

গোপালগঞ্জে ভারি বর্ষনে মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলার চরাঞ্চলে চাষ করা পাটের জমি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চাষিরা জানান, বন্যায় পাটের জমিতে দীর্ঘদিন পানি আটকে ছিল। এতে পাটের আঁশের মান খারাপ হয়ে গেছে। বন্যার পানিতে পাট পচে নষ্ট হয়ে গেছে। তাই বাজারে দাম পাওয়া যাচ্ছে না।বাজারে নতুন পাটের মণ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৫শ টাকা থেকে দুই হাজার ৩শ টাকা পর্যন্ত। অথচ গত বছর সর্বনিম্ন দুই হাজার টাকা মণ দরে পাট বিক্রি করেছেন চাষিরা।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আ: কাদের  বলেছেন  এখানকার মাটিও জলবায়ু পাট চাষের উপযোগী । এ বছর গোপালগঞ্জ জেলায় ২৪ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়। পাট চাষে কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় প্রতি বছরই কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যায়। তবে এ বছর দুই দফার বন্যায় পাট চাষিদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তাই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে লোকসানের আশঙ্কা বেশি। 

এই বিভাগের আরো খবর

উত্তরে পানি কমেছে, বেড়েছে ভাঙন

ডেস্ক প্রতিবেদন : দেশের উত্তরাঞ্চলের...

বিস্তারিত
মাগুরার গড়াই নদী ভাঙনে আতঙ্কে এলাকাবাসী

মাগুরা সংবাদদাতা: মাগুরার শ্রীপুর...

বিস্তারিত
বন্যায় প্রায় ৫৭৭২ কোটি টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: এ বছরের বন্যায় এখন...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *