আবরার হত্যার বিচার শুরু

প্রকাশিত: ১২:৩৮, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

আপডেট: ০৮:৩৪, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় ২৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল এক এর বিচারক আসামিদের বিচার শুরুর আদেশ দেন। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতি কার্যদিবসে একটানা সাক্ষ্যগ্রহনের দিন ধার্য্য করেছে আদালত। 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা মামলার ২৫ আসামির বিচার শুরু আদেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল এক এর বিচারক আবু জাফর মোহাম্মদ কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে জামিনর আবেদন নামঞ্জুর করেন। অভিযোগ গঠনের শূনানির জন্য আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত প্রতি কার্যদিবসে একটানা সাক্ষ্যগ্রহণ চলবে।

গত ১৩ জানুয়ারি মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়। পরে মহানগর দায়রা জজ আদালত দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এক এ পাঠানোর আদেশ দেন। এই মামলার ২২ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি তিনজন এখনও পলাতক রয়েছে।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।

ওই ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারনামীয় ১৯ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত এজাহারবহির্ভূত ছয়জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আটজন।

গ্রেফতার ২২ জন হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

মামলার তিন আসামি এখনও পলাতক। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

এই বিভাগের আরো খবর

টেকনাফে সাড়ে ৩ লাখ পিচ ইয়াবা উদ্ধার

কক্সবাজার সংবাদদাতা: টেকনাফের...

বিস্তারিত
নওগাঁয় ছাত্রীর চুল কেটে নির্যাতন; যুবক আটক

নওগাঁ সংবাদদাতা: নওগাঁর নিয়ামতপুরে...

বিস্তারিত
কুষ্টিয়ায় চাচাকে হত্যা, ভাতিজার যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা: কুষ্টিয়া সদর...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *