লালবাগের ব্যবসায়ী আজিজ হত্যা; একজনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত: ০১:২৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

আপডেট: ০১:২৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজধানীর লালবাগের কাঁচ ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ চাকলাদার হত্যা মামলার একজনকে মৃত্যুদন্ড আরেকজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ (সোমবার) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত- এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় কারাগারে থাকা দুই আসামি ফারুক ইদ্রিস নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদের খালাস দিয়েছেন। পলাতক আসামি জয়নালকে মৃত্যুদন্ড ও মো. রুস্তম আলীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাঁদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়।

২০১ ধারায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ হওয়ায় আসামি জয়নাল রুস্তমকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত। এছাড়া তাঁদের দুজনকে ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

গত ১৪ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য ১৯ ফেব্রুয়ারি তারিখ ঠিক করা হয়। কিন্তু ওই দিন রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আদালত এপ্রিল দিন ধার্য করেন। কিন্তু এরপর করোনাভাইরাসের কারণে আদালত সাধারণ ছুটিতে থাকায় আর রায় ঘোষণা হয়নি। পরে আদালত ২১ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

১৯৯৮ সালের মার্চ সকাল ৭টায় আজিজ চাকলাদার ওরফে ঢাকাইয়া আজিজ লালবাগ রোডের বাসা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন। আজিজকে খুঁজে না পেয়ে ছোট ভাই মো. বাচ্চু মিয়া লালবাগ থানায় একটি জিডি করেন। এর ১২ দিন পর ১৭ মার্চ মাকসুদ আমানুল্লাহ নামে দুজনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অপহরণ মামলা করেন বাচ্চু মিয়া।

মামলাটিতে ২০০০ সালের এপ্রিল লালবাগ থানার তৎকালীন এসআই মো. আব্দুর রাকিব খান সাতজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তাঁরা হলেন- খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, লস্কর মোহাম্মদ লিয়াকত, মো. নূরে আলম, ইদ্রিস, জয়নাল, ফারুক মো. রুস্তম আলী।

অভিযোগপত্রে মাকসুদ আমানুল্লাহকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হয়।

অভিযোগপত্রে উল্লিখিত সাত আসামির মধ্যে কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের অন্য মামলায় ২০০৪ সালের ১০ মে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। অপর আসামি লস্কর মো. লিয়াকত বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

মামলাটিতে দুই আসামি ফারুক ইদ্রিস কারাগারে আছেন। অপর দুই আসামি জয়নাল রুস্তম আলী পলাতক। নূরে আলমকে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে রাজসাক্ষী করে উপস্থাপন করা হয়।

অভিযোগপত্র দাখিলের পর ২০০০ সালেই মামলার অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটি দীর্ঘদিন স্থগিত ছিল। স্থগিতাদেশ উঠে গেলে ২০১৭ সালে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ছয়জন এবং রাজসাক্ষী হিসেবে নূরে আলমের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

এই বিভাগের আরো খবর

ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাময়িক বরখাস্ত...

বিস্তারিত
ইলিশ ধরায় মানিকগঞ্জে ৪২ জেলের কারাদণ্ড

মানিকগঞ্জ প্রতিবেদক: মানিকগঞ্জের...

বিস্তারিত
আকবরকে খুঁজে বের করা হবেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সিলেট সংবাদদাতা: পররষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ...

বিস্তারিত
নিক্সন চৌধুরীকে ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচন কমিশনের...

বিস্তারিত
জয়পুরহাটে অস্ত্র-গুলিসহ একজন আটক

জয়পুরহাট সংবাদদাতা: জয়পুরহাটে ১টি...

বিস্তারিত
অস্ত্র ও মাদক মামলায় সম্রাটের জামিন নামঞ্জুর

নিজস্ব সংবাদদাতা: অস্ত্র ও মাদক আইনে...

বিস্তারিত
আগাম জামিন নিতে হাইকোর্টে নিক্সন

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচন কমিশনের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *