ইউনেস্কোর শর্ত মেনেই রামপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বানাবে সরকার আপডেট: ০৪:৫৩, ০৯ জুলাই ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সরকারের বৈজ্ঞানিক যুক্তি মেনে নিয়েছে ইউনেস্কো। তবে তাদের দেয়া ভারি কলকারখানা ও অবকাঠামো নির্মাণ না করার শর্ত মেনেই রামপালে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করবে সরকার।

আজ রোববার রাজধানীতে বিদ্যুৎ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। এতে রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে কোনো বাধা রইলো বলেও জানান তিনি। নাজমুল সাঈদকে সাথে নিয়ে আরো জানাচ্ছেন কামরান করিম।

বাগেরহাটের রামপালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে ১৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন মহল থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। তাদের আশংকা-- এতে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের ক্ষতি হবে।

জাতিসংঘের শিক্ষা বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও আসে আপত্তি। তবে সরকার বরাবরই বলে এসেছে-- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যার ফলে এতে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না।

সরকারের বৈজ্ঞানিক যুক্তি মেনে নিয়ে গেলো বৃহস্পতিবার আপত্তি প্রত্যাহার করে নেয় ইউনেস্কো। বিদ্যুৎ ভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক ই-ইলাহী চৌধুরী।

তিনি আরো বলেন, পোল্যান্ডে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির ৪১তম অধিবেশনে বিশ্বের ২১টি দেশের মধ্যে ১২টি দেশই রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পক্ষে মত দিয়েছে। ফলে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে আরে কোন বাধা নেই।

২০১৯ সাল নাগাদ রামপাল কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে দেশবাসী বিদ্যুৎ পাবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা। এ সময় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও বিদ্যুৎ সচিবও উপস্থিত ছিলেন।
 

 

Publisher : .