ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬

2019-04-22

, ১৬ শাবান ১৪৪০

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ৩১ জুলাই থেকে সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন

প্রকাশিত: ০৮:৩১ , ০৯ জুলাই ২০১৭ আপডেট: ০৮:৩১ , ০৯ জুলাই ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদন: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এতে অংশগ্রহণেচ্ছুদের ও সংশ্লিষ্টজনদের সঙ্গে সংলাপে বসতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়গুলো এ সংলাপে গুরুত্ব পাবে।

সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার, গণমাধ্যম কর্মী এবং নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে এই সংলাপ হবে।

কমিশন সচিব জানিয়েছেন, আগামী ৩১ জুলাই থেকে শুরু হবে এই সংলাপ। তার আগেই ইসি’র রোডম্যাপ মুদ্রিত আকারে প্রকাশ করা হবে।

দায়িত্বগ্রহণের পর ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ীই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশন। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগেকার ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সব দলের অংশগ্রহণ ও একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন করার লক্ষ্য নিয়েই অংশীদের সাথে কমিশন সংলাপ শুরু করতে যাচ্ছে এ মাসের শেষ দিকে।

নির্বাচন কমিশন সচিব মুহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, "৩১ তারিখ থেকেই সংলাপ শুরু হবে। রাজনৈতিক দলের সাথে যে-সংলাপটা হবে আগস্ট থেকে অক্টোবরে। 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সব দলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি এবং সব দল যেন নির্বাচনে অংশ নেয়, তা কমিশনকেই নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)'র সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, "কমিশন রোডম্যাপ তৈরি করে সেটা ফেরি করার জন্য, 'সেইল' করার জন্য যদি রাজনৈতিক দলগুলোকে ডাকে, তবে সেটা রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য শুধু অপমানজনকই না, এটা আসল উদ্দেশ্যও কোনোদিন হাসিল করবে না।"  

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ বলছে, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করে যাবে তারা। অপরদিকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করা বিএনপি বলছে, নির্বাচন কমিশনের আচরণই তাদের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার পথ দেখাবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, "আওয়ামী লীগ সবসময় যেহেতু নির্বাচনে বিশ্বাসী, এবং সে-কারণে সবসময় নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা কোরে এসেছে, ভিবিষ্যতেও যেকোন পর্যায়ে, যেকোন অবস্থায় নির্বাচন করার জন্য আওয়ামী লীগ সবসময় নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করে যাবে।"

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "এই সংলাপ যদি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে করা হয়, তা হলে পুরো ব্যাপারটাই লোক দেখানো হয়ে দাঁড়াবে। তো, সেটার দায়দায়িত্ব তাদের। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে আমরা পুরোপুরি নিয়মতান্ত্রিকভাবে একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যত সহযোগিতা দরকার, আমরা তা কোরে যাবো।"

সাবেক নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ মনে করেন, কমিশনের একার পক্ষে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এজন্য রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের ভূমিকা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

শাহনেওয়াজ বলেন, "বাংলাদেশে যে-নির্বাচনী আইন আছে তা যথেষ্ট বা পর্যাপ্ত বলা যায়। এতে আর খুব-একটা কিছু করার দরকার আছে বলে মনে হয় না।"

সব দলকে নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করাই বর্তমান কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন সাবেক এই নির্বাচন কমিশনার। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ইচ্ছেমতো দামে পণ্য বিক্রির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: শবে বরাতকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে ঊর্ধ্বমুখী নিত্যপণ্যের দাম। মাছ ও মাংসের মূল্যের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে...

রাজধানীর মালিবাগ কাঁচাবাজারে আগুন, পুড়লো আড়াই’শ দোকান

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর মালিবাগ কাঁচাবাজারে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেছে আড়াইশতাধিক দোকান। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে এই আগুন লাগে।...

পিআইবি’র মহাপরিচালক হলেন সাংবাদিক-লেখক জাফর ওয়াজেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশিষ্ট সাংবাদিক-লেখক জাফর ওয়াজেদকে প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। অন্যান্য...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is