ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬

2019-04-22

, ১৬ শাবান ১৪৪০

প্রিপেইড কার্ডে এবার ওয়াসার পানি পাচ্ছেন রাজধানীবাসী

প্রকাশিত: ১০:১৮ , ০৯ জুলাই ২০১৭ আপডেট: ১০:১৮ , ০৯ জুলাই ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদন: প্রিপেইড কার্ডে এবার ওয়াসার পানি পাচ্ছেন রাজধানীবাসী। এ জন্যে পরীক্ষামূলকভাবে মহানগরীর ফকিরাপুল পানির পাম্পে চালু করা হয়েছে একটি বুথ। রাজধানীতে এমন ১০০টি বুথ চালু করবে ওয়াসা।

এ মেশিনে প্রিপেইড কার্ড ঢুকিয়ে চাহিদামাফিক পানি পাচ্ছেন আগ্রহীরা। এটা নগরবাসীর নতুন অভিজ্ঞতা। তবে দামটা বেশি বলে মনে করছেন অনেকেই।

ফকিরাপুল এলাকার বাসিন্দা মালেক মিয়ার ওয়াসার পাম্প থেকে পানি নেয়ার অভিজ্ঞতা পুরনো। তবে গত কয়েক মাসের অভিজ্ঞতা একটু অন্যরকম। প্রিপেইড কার্ডের মাধ্যমে বুথ থেকে পানি পেতে কোন ঝক্কিঝামেলা নেই।

ওয়াসার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেন এলাকার বাসিন্দারা। বাসায় পাওয়া পাইপলাইনের পানি দুর্গন্ধযুক্ত। কিন্তু বুথের পানিতে তা নেই। লিটার প্রতি ৪০ পয়সায় বিশুদ্ধ পানি পেয়ে খুশি এলাকার বাসিন্দারা।

ওয়াটার বুথের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ ইয়ার খান জানালেন, পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হলেও এ থেকে সুফল পাচ্ছে এলাকাবাসী। ঢাকা আরও ১০০ বুথ স্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।

প্রকল্প পরিচালক বলেন, "ভবিষ্যতে যখন আমরা আরো বড় পরিসরে এটিএম মেশিন বিভিন্ন স্পটে বসাবো, তখন গ্রাহককে মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে টাকা রিচার্জ করার প্রক্রিয়াটা ইনকরপোরেট করবো।"

পানির মান নিয়ে সন্তেুাষ জানালেও, দাম নিয়ে বৈষম্য হচ্ছে বলে মনে করেন নিরাপদ পানি নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তারা।

ওয়াটার এ্যালায়েন্স-এর বাংলাদেশ সমন্বয়ক অলোক কুমার মজুমদার বলেন, "ঢাকা ওয়াসা যে-পানিটা প্রোডাকশান করে, ওটা কিন্তু বিশুদ্ধ। কারণ ওতা একদম মাটির নিচ থেকে আসে।"  

ওয়াটার এইড-এর বাংলাদেশ পরিচালক মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, "একহাজার লিটার পানি ১০ টাকার কাছাকাছি মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। একই পানি এখন এখানে ৪০ পয়সা প্রতি লিটার ধরে যদি একহাজার লিটারের হিসাব করেন, তা হলে ৪০০ টাকা দাঁড়াচ্ছে। তার মানে, ঢাকা ওয়াসারই ট্যারিফের মধ্যে ৪০ গুণ পার্থক্য বা তারতম্য তৈরি হচ্ছে।"

২০২১ সালকে সামনে রেখে মেগা প্রকল্পের অংশ হিসেবে ওয়াটার বুথ বসানো হচ্ছে বলে জানালেন ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক  (এমডি) সিংক: তাকসিন এ. খান বলেন, "যে-পরিমাণ পানি নষ্ট হতো, অর্থাৎ অপচয় হতো, সেটা রোধ হচ্ছে। আগে মানুষ ধাক্কাধাক্কি কোরে পানি নিতো। শুধু ধাক্কাধাক্কি না, পানির কিছু কেনা-বেচাও হতো। সেটার বদলে মানুষ এখন ডিসিপ্লিনড উপায়ে এসে পানি নিয়ে যাচ্ছে, আমাদের কিছু রাজস্ব আয়ও হচ্ছে।"

২০০ টাকার ফেরতযোগ্য জামানত ও জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে যে কেউ পানির এই প্রিপেইড কার্ড করতে পারবেন। সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই বুথ । 

এই বিভাগের আরো খবর

২৯ এপ্রিলের মধ্যে শপথ না নিলে বিএনপির ৬ সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির নির্বাচিত ৬ সংসদ সদস্য ২৯ এপ্রিলের মধ্যে শপথ না নিলে তাদের আসন শূন্য হয়ে যাবে। ফলে বিষয়টি নিয়ে দলের মধ্যে ব্যাপক...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is