এনআইডি জালিয়াতি; ২ অপারেটর চাকরিচ্যুত

প্রকাশিত: ০৯:১৮, ১২ অক্টোবর ২০২০

আপডেট: ০৯:২৫, ১২ অক্টোবর ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক: অবৈধভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র করার প্রচেষ্টার অভিযোগে লালমনিরহাটের আদিতমারী সদর উপজেলার দুজন ডাটা এন্ট্রি অপারেটরকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। আজ (সোমবার) আইডিইএ প্রকল্পের কমিউনিকেশন জুনিয়র কনসালটেন্ট শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গত অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যন্সিং একসেস টু সার্ভিসেস আইডিইএ প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালকের সই করা এক অফিস আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এছাড়াও দায়িত্বে অবহেলা অনিয়মের মাধ্যমে ভোটার করায় লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা থানা নির্বাচন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. জুয়েল বাবু সদর থানা নির্বাচন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এস এম আজম শাহীর বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক।

প্রকল্প পরিচালকের নির্দেশে গতকাল (১১ অক্টোবর) রাত ১১টায় দুই ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেন সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. আজাদুল হেলাল।

দুই ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় বলা হয়েছে, লালমনিরহাট অফিসে কর্মরত ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মো. জুয়েল বাবু বিনা অনুমতিতে ছুটির দিনে লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে এসে সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসের আরেক ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এস এম আজম শাহীর সঙ্গে যোগসাজশে অনিবাসী/ঠিকানাবিহীন ব্যক্তিকে অবৈধভাবে ভোটার করার চেষ্টা করে। গত ২০ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর জুয়েল বাবু এস এম আজম শাহীকে ভোটারদের উপজেলা সার্ভার কক্ষে নিয়ে এসে ভোটার নিবন্ধন করাতে দেখতে পান উপজেলা সদর নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আজাদুল হেলাল। এ সময় ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের কাছে মোছা. আফরোজা বেগম, মো. মাসুম মো. সোহেল নামে তিনটি আবেদন ফরম দেখতে পান। পরে সার্ভার যাচাই করে অল্প সময় আগে নতুন ভোটার হওয়ার নিবন্ধন ডাটা পাওয়া যায়।

আর্থিক প্রলোভনে পড়ে তারা গোপনে ভোটারদের ডেকে এনে নিবন্ধন করেছেন বলে সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে স্বীকার করেন। পরে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে ওই দুই ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের কাছে বিনা অনুমতিতে ছুটির দিনে অফিসে এসে ভোটার অযোগ্য ব্যক্তির নিবন্ধনের জন্য বায়োমেট্রিক ডাটা গ্রহণের বিষয়ে উপযুক্ত ব্যাখ্যা জবাব চাওয়া হয়। প্রদত্ত ব্যাখ্যা আইন সঙ্গত না হাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়।

এছাড়াও লালমনিরহাট সদর উপজেলা থানা নির্বাচন অফিসের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এস এম আজম শাহীর বিরুদ্ধে গত ৩১ আগস্ট রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ ছাড়া অনিয়ম করে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অভিযোগ পাওয়া যায়। ওই দিন মো. মমতাজ উদ্দিন, মোছা. জাহানারা বেগম মো. সাজ্জাদ হোসেন নামে তিন ব্যক্তি অফিসে উপস্থিত না হয়েই ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন করেন। এছাড়া তাদের আবেদন ফর্মে কোনও কর্মকর্তার স্বাক্ষর ছিল না। পাশাপাশি ১৩ নম্বর ফর্মের প্রথম পৃষ্ঠা স্ক্যান করা হলেও দ্বিতীয় পৃষ্ঠার পরিবর্তে পুনরায় প্রথম পৃষ্ঠা আপলোড করা হয়েছে, যা নিয়মবহির্ভূত বলে এনআইডি উইং এর কাছে প্রতীয়মান হয়। উসঙ্গ না হাওয়ায় এস এম আজম শাহীর বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর

২৫ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী যারা

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের ২৫টি পৌরসভা...

বিস্তারিত
২০২২ সালে সব ভোটার পাবে স্মার্ট এনআইডি

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সকল ভোটারকে...

বিস্তারিত
ডিসেম্বরে প্রথম ধাপের পৌরসভা নির্বাচনের ভোট

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচন কমিশনের...

বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জ-১ আসনেও আ. লীগ প্রার্থীর জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিরাজগঞ্জ-১ আসনের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *