মুলায় বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

প্রকাশিত: ১০:১০, ২৩ নভেম্বর ২০২০

আপডেট: ১০:১০, ২৩ নভেম্বর ২০২০

অনলাইন ডেস্ক: মূলা শীতকালীন একটি সুপরিচিত সবজি। যদিও অনেকে এটা দেখলেই নাক কুঁচকে ফেলেন। তবে এর গুনাগুণ জানলে  এই সবজির প্রতি অনীহা আপনার আর থাকবে না। এই সস্তা সবজিটি আপনাকে রাখতে পারে অসংখ্য অসুখ থেকে দূরে, নিরাময় করতে পারে অসংখ্য রোগ।

মূরার পুষ্টিগুণ: প্রতি ১০০ গ্রাম মুলাতে প্রোটিন থাকে ০.৭ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৩.৪ গ্রাম, ভিটামিন ‘এ’ ০.০ আইইউ, ফ্যাট ০.১ গ্রাম, আঁশ ০.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৫০ মিগ্রা, ফসফরাস ২২ মিগ্রা, লোহা ০.৪ মিগ্রা, পটাশিয়াম ১৩৮ মিগ্রা, ভিটামিন ‘সি’ ১৫ মিগ্রা পাওয়া যায়।

আমাদের দেশে সাদা ও লাল দুই প্রকার মূলা দেখা যায়। পুষ্টি গুণের দিক দিয়ে দু’টিই সমান মূল্যবান। মূলার চেয়ে মূলার পাতার গুণ বেশি। কচি মূলার পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায় এবং খুবই মজাদার। পাতাতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এ, সি পাওয়া যায়।

খাবার উপযোগী ১শ’ গ্রাম মূলা পাতায় থাকে- আমিষ ১.৭ গ্রাম, শ্বেতসার ২.৫ গ্রাম, চর্বি ১.০০ গ্রাম, খনিজ লবণ ০.৫৭ গ্রাম, ভিটামিন সি ১৪৮ মিলিগ্রাম, ভিটামিন এ বা ক্যারোটিন ৯ হাজার ৭শ’ মাইক্রোম ভিটামিন বি-১০.০০৪ মিলিগ্রাম, বি-২০.১০ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩০ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৬ মিলিগ্রাম, খাদ্য শক্তি ৪০ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ১২০ মিলিগ্রাম।

কতিপয় স্বাস্থ্যগুণ:

১. ভাত/রুটি খাওয়ার সময় কাঁচা মূলা খেলে তাড়াতাড়ি হজম হয় ও রুচি বাড়ে। কচি মূলার সালাদ ক্ষুধা বৃদ্ধি করতে সহায়ক। যারা জ্বরে ভুগছেন ও মুখের রুচি নেই, তারা মূলা কুচি কুচি করে কেটে চিবিয়ে খান। জ্বর কমবে, মুখের রুচিও বাড়বে। গুরুপাক খাবারের ফলে যাদের পেটে ব্যাথা ও গ্যাস জমা হয়, তারা মূলার রসের সাথে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভাল ফল পাবেন।

২. শ্বেত রোগের চিকিৎসায় মূলা ফলদায়ক। এন্টি কারসেনোজিনিক উপাদান সমৃদ্ধ মুলার বীজ আদার রস এবং ভিনেগারে ভিজিয়ে আক্রান্ত জায়গায় লাগাতে হবে। অথবা কাঁচা মূলা চিবিয়ে খেলেও কাজ হবে।

৩. ত্বক পরিচর্যায়ও মুলা ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে। কাঁচা মুলার পাতলা টুকরা ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয়। এছাড়া কাঁচা মুলা ফেস প্যাক এবং ক্লিনজার হিসেবেও দারুন উপকারী।

৪. যেসব মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান, তারা নিয়মিত মূলা খেলে বুকের দুধ বাড়বে।

৫. পাইলসে মূলা অত্যন্ত উপকারী। নিয়মিত মূলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়, ফলে পাইলস রোগে আরাম হয়। যাদের পাইলসের কারণে রক্ত পড়ে তারা টানা দু সপ্তাহ মূলা খেলে রক্ত পড়া বন্ধ হবে।

৬. রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে। সেই সাথে লিভার এবং পাকস্থলীর সমস্ত দুষন এবং বর্জ্য পরিস্কার করে থাকে। মুলা কিডনি রোগসহ মূত্রনালির অন্যান্য রোগে উপকারী।

এই বিভাগের আরো খবর

নিবন্ধন ছাড়া কেউ করোনার টিকা পাবে না 

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিবন্ধন ছাড়া কেউ...

বিস্তারিত
ঠাণ্ডায় নাক বন্ধের পাঁচ চিকিৎসা

অনলাইন ডেস্ক: প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় অনেক...

বিস্তারিত
দেশে আসার প্রথম সপ্তাহে টিকা প্রয়োগ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ২৫ থেকে ২৬শে...

বিস্তারিত
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আমলকীর চা

অনলাইন ডেস্ক: আমলকী আমাদের...

বিস্তারিত
কিডনির রোগ নিরাময়ে এলাচ

অনলাইন ডেস্ক: এলাচ শুরু রান্নার কাজে...

বিস্তারিত
হৃদরোগের ঝুঁকি কমাবে গাজর

অনলাইন ডেস্ক: শীতকালীন সবজি হিসেবে...

বিস্তারিত
অতিরিক্ত ভিটামিন সি খেলে যা হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক: শরীরের রোগ প্রতিরোধের...

বিস্তারিত
করোনার টিকা কেনা : মন্ত্রণালয়ের তথ্যে ধোঁয়াশা

লাবণী গুহ: করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্য...

বিস্তারিত
রেড রাইস এর স্বাস্থ্য উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: বাঙালির এক বেলা ভাত না...

বিস্তারিত
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় মটরশুঁটি

অনলাইন ডেস্ক: শীতের অন্যতম একটি সবজী...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *