ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৭, ৬ কার্তিক ১৪২৪, ৩০ মহাররম ১৪৩৯
শিরোনামঃ
ইসিকে দেয়া প্রস্তাব বাস্তবায়নে দলগুলোর ঐকমত্য জরুরি উজাড় হচ্ছে কক্সবাজার ও বান্দরবানের বনাঞ্চল পণ্য ও সেবা বাণিজ্যে আমদানি ব্যয় বাড়লেও বাড়েনি রপ্তানি আয় রিভিউ আবেদন তৈরি করছে ১১ আইন বিশেষজ্ঞের কমিটি বাড়ি থেকে নকলা উপজেলা চেয়ারম্যানের লাশ উদ্ধার ঢাবি'র ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ৩ হারিয়ে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘ধামের গান’ ২ লাখ ২৪ হাজার রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন নারায়ণগঞ্জে ডকইয়ার্ডে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪ শ্রমিক চট্টগ্রামে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত দিনভর বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত মেহেরপুরের ১৪৫ স্কুলের নলকূপে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক তরুণদের কাজে লাগাতে সৃজনশীল কর্মসূচি হাতে নিয়েছে যুবলীগ বগুড়ায় ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ভাই-ভাবি খুন জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম নগরী তৈরিতে সবার সহযোগিতা চাই: নাছির এশিয়া কাপ হকিতে বিকেলে জাপানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ সীতাকুন্ডে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, নিহত ২ আফগানিস্তানে ড্রোন হামলায় পাকিস্তানের জঙ্গি নেতা নিহত

দেশে বৌদ্ধ নিদর্শন অনেক, পর্যটনের সরকারি উদ্যোগ নেই

প্রকাশিত: ০৪:৫৯ , ১৯ জুলাই ২০১৭ আপডেট: ০৪:৫৯ , ১৯ জুলাই ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ায় বৌদ্ধ ধর্মের অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে। বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলেও রয়েছে অনেক পুরনো বৌদ্ধ ঐতিহ্য। এই নিদর্শন ও ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে পর্যটনের বিকাশে ঢাকায় আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পর ৮ মাসেও তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি সরকার। পর্যটন এলাকা চিহ্নিত করা ও প্রচার-প্রচারণার কাজেও তেমন অগ্রগতি নেই বলে জানান পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা। 

গত বছর অক্টোবর মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বুদ্ধিস্ট হেরিটেজ এন্ড পিলগ্রিম সার্কিট’-এর মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশীয় বৌদ্ধ ট্যুরিজম সার্কিটে যুক্ত হয় বাংলাদেশ। এ সার্কিটে রয়েছে ভারত, ভুটান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা। সেই সম্মেলনেই এক লাখ বৌদ্ধ পর্যটক আকর্ষণ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করে বাংলাদেশ। তবে এক বছরেও লক্ষ্য অর্জনে সরকার তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ পর্যটন সংশ্লিষ্টদেরণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. সৈয়দ রাশেদুল হাসান বলেন, “বৌদ্ধ পর্যটন বলতে কী বোঝায় আমাদের দেশের নীতি নির্ধারকরা বোধহয় জানেন না।”

বেসরকারি ট্যুর অপারেটর সৈয়দ গোলাম কাদের বলেন, “এই পর্যটনের জন্য গবেষণা করা, পণ্য তৈরি করা, বৌদ্ধ মার্কেটে নিয়ে গিয়ে তুলে ধরা এবং বাংলাদেশের সক্ষমতাগুলো দেখানোর কাজগুলো আমরা করিনি।”

ভারতের পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালে ২ লাখ ২৫ হাজার পর্যটক ভারতের গোয়া আর ১ লাখ ২৫ হাজার পর্যটক নেপালের লুম্বিনি ও সাড়ে তিন লাখ পর্যটক মিয়ানমার ভ্রমণ করেছেন। প্রতিবেশী এসব দেশ ঘুরতে আসা পর্যটকদের বাংলাদেশে আনতে সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

তিনি বলেন, “থাইল্যান্ডের সাথে একটা চুক্তি করছি আমরা এবং ভুটান, শ্রীলঙ্কা ও কম্বোডিয়ার সাথেও চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে। চুক্তিটা মূলত পর্যটকদের আগমন নিয়ে হবে। সেখানে জোর দেয়া হবে বৌদ্ধ পর্যটনের ওপর।”

এ ধরনের বিশেষায়িত পর্যটন বিকাশে ভারত-নেপাল-ভুটানের সঙ্গে আন্তঃদেশীয় চুক্তির ব্যাপারেও ভাবছে সরকার।
 

এই সম্পর্কিত আরো খবর

ঘুরে আসুন মনপুরা

  ডেস্ক প্রতিবেদন: মনপুরা দ্বীপ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি। চতুর্দিকে মেঘনা নদীবেষ্টিত সবুজের সমারোহ। মনপুরা দেশের মানুষের...

ঘুরে আসুন পদ্মা রিসোর্টে

ডেস্ক প্রতিবদন: যান্দ্রিক জীবনের গন্ডি পেরিয়ে পদ্মা নদীর নয়নাভিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করতে ঘুরে আসতে পারেন পদ্মা রিসোর্টে। মুন্সিগঞ্জের...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is