দেশে মুদ্রণ বাণিজ্যের বিকাশ ঘটলেও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে আপডেট: ০৪:৩২, ২০ জুলাই ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদন: মুদ্রণ শিল্পের বিশ্ব বাজার ৭২৪ বিলিয়ন ডলারের। দেশে মুদ্রণ বাণিজ্যের বিকাশ ঘটলেও, বিশ্ববাজারের ব্যবসা ধরার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে বাংলাদেশ এখনও অনেক পিছিয়ে। এজন্য দেশীয় মুদ্রণ শিল্পে নানান সীমাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতাকে দায়ী করেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের মুদ্রণ শিল্পে বাৎসরিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার, যার মধ্যে মাত্র ১৬০ কোটি টাকা আসে পোশাক খাতসহ রপ্তানিকৃত বিভিন্ন পণ্যের প্যাকেজিং-এর কাজ করে।

প্রতিবছরই মুদ্রণ শিল্পের বাণিজ্য বৃদ্ধির যে প্রবণতা, তা অব্যাহত থাকার ব্যাপারে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম জানান, আফ্রিকার দেশগুলোতে বাণিজ্যের সম্ভাবনা রয়েছে।

এই শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ খাতের বাণিজ্যের চেহারা আরও ভালো হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কিন্তু বেসরকারী পর্যায়ে মুদ্রণ খাতে বিদ্যমান আয়োজনে যে পরিমাণ কাজ করার সক্ষমতা রয়েছে, সেই তুলনায় কাজ হয় মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তফা জব্বার বলেন, প্রতি বছর পাঠ্যবই ছাপানো থেকেই উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় । কিন্তু পরবর্তীতে কাজের অভাবে মুদ্রণ কারখানাগুলোকে অলস বসে থাকতে হয়। এই অলস সময়টাকে কাজে লাগানোই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন তিনি।

মুদ্রণ শিল্পে বিশাল বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারেরও রয়েছে বিপুল আয়োজন। বিজি প্রেস নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠান সরকারের সবচেয়ে বড় মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান, যেখান থেকে সরকারের যাবতীয় মুদ্রণের সিংহভাগ জিনিস ছাপা হয়। 

এ ছাড়াও বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ এমনি বহু সরকারি প্রতিষ্ঠান আছে যাদের নিজস্ব মুদ্রণের আয়োজন রয়েছে। টাকা ছাপার জন্যেও রয়েছে বিশেষ আয়োজন।
 

 

Publisher : .