ঢাকা, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭, ৪ পৌষ ১৪২৪, ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
শিরোনামঃ
স্বাধীনতা বিরোধীদের মানুষ ভোট দেবে না : প্রধানমন্ত্রী নতুন মানচিত্র শিগগিরই প্রকাশ হবে পাঠ্যপুস্তকসহ সর্বত্র চির নিদ্রায় শায়িত হলেন প্রয়াত মন্ত্রী ছায়েদুল হক সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীদের আরো বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজারের আশ্রয়কেন্দ্রে ডিপথেরিয়া রোগী সনাক্ত, টিকাদান চলছে ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু সুষ্ঠু ও অবাধ হবে রংপুর সিটি নির্বাচন: ওবায়দুল কাদের  ডিএনসিসি উপ-নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতে  প্রিয় নেতার বাড়িতে প্রতিনিয়ত শোকার্ত নেতাকর্মীদের ভিড় প্রশ্নপত্র ফাঁসে সরকারি লোকজন জড়িত- দুদক শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় জমজমাট রংপুর নগরী রাকসু’র নির্বাচনের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি  আন্তর্জাতিক অভিবাসন দিবস সোমবার যুব গেমস উপলক্ষ্যে র‌্যালি ও আলোচনা সভা  বৈশ্বিক তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা  মুক্তিযুদ্ধের আদর্শিক লড়াই শেষ হয়নি আজও কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে রাহুল গান্ধীর অভিষেক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বারবার হোচট খেয়েছে বাংলাদেশ নাটোরে চালু হয়নি কৃষকদের ৫টি শস্য মার্কেট রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ

দেশে মুদ্রণ বাণিজ্যের বিকাশ ঘটলেও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে

প্রকাশিত: ০৪:৩২ , ২০ জুলাই ২০১৭ আপডেট: ০৪:৩২ , ২০ জুলাই ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদন: মুদ্রণ শিল্পের বিশ্ব বাজার ৭২৪ বিলিয়ন ডলারের। দেশে মুদ্রণ বাণিজ্যের বিকাশ ঘটলেও, বিশ্ববাজারের ব্যবসা ধরার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে বাংলাদেশ এখনও অনেক পিছিয়ে। এজন্য দেশীয় মুদ্রণ শিল্পে নানান সীমাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতাকে দায়ী করেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের মুদ্রণ শিল্পে বাৎসরিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার, যার মধ্যে মাত্র ১৬০ কোটি টাকা আসে পোশাক খাতসহ রপ্তানিকৃত বিভিন্ন পণ্যের প্যাকেজিং-এর কাজ করে।

প্রতিবছরই মুদ্রণ শিল্পের বাণিজ্য বৃদ্ধির যে প্রবণতা, তা অব্যাহত থাকার ব্যাপারে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম জানান, আফ্রিকার দেশগুলোতে বাণিজ্যের সম্ভাবনা রয়েছে।

এই শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ খাতের বাণিজ্যের চেহারা আরও ভালো হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কিন্তু বেসরকারী পর্যায়ে মুদ্রণ খাতে বিদ্যমান আয়োজনে যে পরিমাণ কাজ করার সক্ষমতা রয়েছে, সেই তুলনায় কাজ হয় মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।

তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তফা জব্বার বলেন, প্রতি বছর পাঠ্যবই ছাপানো থেকেই উৎপাদন ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় । কিন্তু পরবর্তীতে কাজের অভাবে মুদ্রণ কারখানাগুলোকে অলস বসে থাকতে হয়। এই অলস সময়টাকে কাজে লাগানোই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন তিনি।

মুদ্রণ শিল্পে বিশাল বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সরকারেরও রয়েছে বিপুল আয়োজন। বিজি প্রেস নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠান সরকারের সবচেয়ে বড় মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান, যেখান থেকে সরকারের যাবতীয় মুদ্রণের সিংহভাগ জিনিস ছাপা হয়। 

এ ছাড়াও বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলা একাডেমি, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ এমনি বহু সরকারি প্রতিষ্ঠান আছে যাদের নিজস্ব মুদ্রণের আয়োজন রয়েছে। টাকা ছাপার জন্যেও রয়েছে বিশেষ আয়োজন।
 

এই বিভাগের আরো খবর

আয়তন বেড়েছে বাংলাদেশের

নতুন মানচিত্র শিগগিরই প্রকাশ হবে পাঠ্যপুস্তকসহ সর্বত্র

নিজস্ব প্রতিবেদক : আয়তন বেড়েছে বাংলাদেশের। তাই আঁকা হয়েছে দেশের নতুন মানচিত্র। পাঠ্যপুস্তকসহ সর্বত্র শিগগিরি এই মানচিত্র প্রকাশিত হবে।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is