চীনের মধ্যস্থতায় ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ-মিয়ানমার বৈঠক

প্রকাশিত: ০৯:৫৭, ১৩ জানুয়ারি ২০২১

আপডেট: ০৯:৫৭, ১৩ জানুয়ারি ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্যাতনের মুখে প্রাণ বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ঢাকায় ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। চীনের মধ্যস্থতায় ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ মিয়ানমারের অনুষ্ঠেয় ওই বৈঠকে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন।

আজ (বুধবার) বিকেলে রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের তথ্য জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হবে বলে আশা করছেন।

. মোমেন বলেন, গত বছর জানুয়ারিতে আমাদের মধ্যে যে বৈঠক হয়েছিল তাতে কিছুটা ডেভেলপমেন্ট হয়েছিল। মিয়ানমার এমনিতে কোনো কিছুর উত্তর দিতে চায় না। খালি বলে পরে জানাবে। এরপর করোনা তাদের দেশে নির্বাচনের অজুহাত দিয়ে বৈঠক করেনি। গত জানুয়ারি চীনের মধ্যস্থতায় সচিব পর্যায়ে একটি বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্ত মিয়ানমার সেটা পিছিয়ে দেয়। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুহূর্তে মিয়ানমার সফরে রয়েছেন। সেই কারণে মিয়ানমার বৈঠকটি পিছিয়ে দিয়েছে। সচিব পর্যায়ের ওই বৈঠকটি ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে বাংলাদেশ, চীন মিয়ানমারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। 

তিনি বলেন, প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য মিয়ানমারকে পর্যন্ত আট লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা আমরা পাঠিয়েছে। কয়েকদফায় তা পাঠানো হয়। সম্প্রতি পাঠানো হয়েছে দুই লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা। কিন্তু দুঃখজনক হলো মিয়ানমার খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে। দেশটির আন্তরিকতার খুব অভাব। তারা পর্যন্ত ৪২ হাজার রোহিঙ্গার পরিচয় যাচাই-বাছাই করেছে। এর মধ্যে প্রায় ২৮ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের অধিবাসী ছিলো বলে স্বীকার করেছে। বাকি ১৪ হাজারের কোনো তথ্য মিয়ানমারের তথ্যভাণ্ডারে নেই বলে জানিয়েছে। আগে যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে তাদেরও বায়োমেট্রিক তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

মিয়ানমারে ২০১৭ সালের আগস্টে সেনা অভিযানের সময়ে নিষ্ঠুর নিপীড়নের শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। তাদের ফেরত পাঠাতে একই বছরের ২৩ নভেম্বর দুদেশের মধ্যে চুক্তি সই হয় হলেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করা যায়নি এখন পর্যন্ত। নানা অজুহাত মিয়ানমার প্রক্রিয়াটির গতি ধীর করছে। রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্যে তাদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার শর্ত দিচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ১১ লাখের বেশি। তারা সবাই মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে দেশে এসেছেন। পরিস্থিতিতে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা দেশে চাপের সৃষ্টি করেছে।

এই বিভাগের আরো খবর

২৬শে মার্চ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফেব্রুয়ারির প্রথম...

বিস্তারিত
দেশে আসার প্রথম সপ্তাহে টিকা প্রয়োগ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ২৫ থেকে ২৬শে...

বিস্তারিত
২৩ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে জনশুমারি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ২৩ জানুয়ারি...

বিস্তারিত
একাদশ জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশন আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: একাদশ জাতীয় সংসদের...

বিস্তারিত
নাটোর পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত

নাটোর সংবাদদাতা: নাটোর পৌরসভার...

বিস্তারিত
খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিদবেদক: ২০২০ সালের খসড়া...

বিস্তারিত
২৭শ’ কোটি টাকার নতুন প্রণোদনা প্যাকেজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা অতিমারির...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *