‘আওয়ামী লীগের লক্ষ্য মানুষের জন্য সুবিচারের নিশ্চয়তা’

প্রকাশিত: ১০:১৬, ১৮ জানুয়ারি ২০২১

আপডেট: ১১:২০, ১৮ জানুয়ারি ২০২১

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছর ২০২০। তাঁর শততম জন্মবার্ষিকীর দিন, ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন। স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাত্মা। তিনিই একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকেই মানুষ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার দ্বারে পৌঁছানোর আগের বছরটি কেমন কেটেছিল বঙ্গবন্ধুর। সেই উত্তাল আন্দোলনে শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক দিনগুলো নিয়ে মুজিববর্ষ জুড়ে বৈশাখী সংবাদের বিশেষ ধারাবাহিক আয়োজন- যাঁর ডাকে বাংলাদেশ এর আজ ২৯৮ তম প্রতিবেদন।

১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রলয়ঙ্করি ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জাতীয় পরিষদের ৯টি এবং প্রাদেশিক পরিষদের ১৮টি আসনের নির্বাচন হতে পারেনি। সেগুলো অনুষ্ঠিত হয় পরের বছর ১৯৭১ সালের ১৭ই জানুয়ারি। একইসঙ্গে প্রার্থীর মৃত্যুর কারনে ঢাকা, দিনাজপুর ও টাঙ্গাইলের তিনটি প্রাদেশিক আসনেরও উপনির্বাচন হয়। ১৯৭১ সালের ১৮ই জানুয়ারি সেসব আসনগুলোর নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করে  পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। ফলে দেখা যায়, প্রাদেশিক পরিষদের ১টি আসন- নোয়াখালী বাদে বাকি সব আসনেই আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বিপুলভাবে জয়ী হয়।

একাত্তরের এদিন, ঢাকার পল্টনে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমান। নির্বাচনে তার দলের পাশে থাকায় জনগণকে ধন্যবাদ জানান। বলেন, “আওয়ামী লীগের শ্লোগান ছিল জয় বাংলা, লক্ষ্য ছিল বাংলার স্বাধিকার, শোষণমুক্ত সমাজ, সকল এলাকার মানুষের জন্য সুবিচারের নিশ্চয়তা।”(সূত্রঃ ১৯ জানুয়ারি, ১৯৭১; দৈনিক ইত্তেফাক)

বঙ্গবন্ধু মুজিব বলেন, “বিগত দুই যুগের শাঠ্য ষড়যন্ত্রের নায়কদের বিষদাঁত ভাঙ্গিয়া নির্বাচনের অধিকার ছিনাইয়া আনিয়া ব্যালটের মাধ্যমে অব্যক্ত প্রাণ বাসনার বহিঃপ্রকাশ ঘটাইয়া বাংলার শোষিত নিপীড়িত জনসমষ্টি দেখাইয়া দিয়াছে বাঙ্গালীরা যেমনভাবে একদিন বৃটিশের নিকট হইতে এদেশের স্বাধীনতা অর্জন করিয়াছিল, তেমনি তারা শোষক-গণদুশমনদের কব্জা হইতে নিজেদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের অধিকার- সমগ্র দেশ শাসনের অধিকার ছিনাইয়া আনিতেও সক্ষম।” (সূত্রঃ ১৯ জানুয়ারি, ১৯৭১; দৈনিক ইত্তেফাক)

একাত্তরের এদিন পশ্চিম পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানায় বাঙ্গালি বিরোধী পাকিস্তান পিপলস পার্টি- পিপিপির প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টোর বাড়িতে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেন সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান। এসময় ইয়াহিয়া সাংবাদিকদের বলেন, “জনগণের সরকার কর্তৃক ক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যমে শীঘ্রই অনিশ্চিত অবস্থার অবসান হইবে।”

এই বিভাগের আরো খবর

‘স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন কঠোর’ 

গোলাম মোর্শেদ: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
৬ দফার প্রশ্নে আপােস নয়: বঙ্গবন্ধু

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
ভুট্টোর সমালোচনায় বঙ্গবন্ধু

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত
‘রাজনীতির সকল ধারাকে এক করেছেন বঙ্গবন্ধু’

গোলাম মোর্শেদ: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
‘যুব সমাজকে উদ্দীপ্ত করতেন বঙ্গবন্ধু’

বিউটি সমাদ্দার: সব ভেদাভেদ ভুলে দেশের...

বিস্তারিত
সরকার গঠনের পথে চক্রান্ত চলছে: বঙ্গবন্ধু

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *