বাংলাভাষা বিরোধী প্রধানমন্ত্রী লিয়াকতের হত্যাকান্ডেও মুজিবের ক্ষোভ 

প্রকাশিত: ১০:২৬, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১

আপডেট: ১১:২৩, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১

রীতা নাহার: একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন-সংগ্রামের গোড়াপত্তন হয়েছিল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই ভাষা আন্দোলনে ছিলেন একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী তরুণ ছাত্র নেতা। এ বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। তাই এবার ভাষার মাস ফেব্র“য়ারিতে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু মুজিবের ভূমিকা ও অংশগ্রহনের ঐতিহাসিক অধ্যায় নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ সতেরোতম পর্ব।

পাকিস্তান জন্মের পর প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবির বিপরীতে ষড়যন্ত্রের যে রাজনীতি শুরু করেন, তেমন ষড়যন্ত্রমূলক মানসিকতার হাতেই তাকে প্রাণ দিতে হয়। 

১৯৫১ সালের অক্টোবরে রাওয়ালপিন্ডির এক জনসভায় লিয়াকত আলী খানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। খাজা নাজিমুদ্দীন গভর্নরের পদ ছেড়ে দিয়ে প্রধামন্ত্রী হন এবং অর্থমন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ দায়িত্ব নেন গভর্নর জেনারেলের। 
 
সেসময় কারাগারে আটক ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু তাঁর ডায়রিতে লিখেনন, “কে বা কারা লিয়াকত আলী খানকে হত্যা করার পেছনে ছিল আজ পর্যন্ত তা উদঘাটন হয় নাই। আর হবেও না। এই ষড়যন্ত্রকারীরা যে খুব শক্তিশালী ছিল তা বোঝা যায়। কারণ তারা কোনো চিহ্ন পর্যন্ত রাখে নাই।”

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *