ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৭, ৬ কার্তিক ১৪২৪, ৩০ মহাররম ১৪৩৯
শিরোনামঃ
ইসিকে দেয়া প্রস্তাব বাস্তবায়নে দলগুলোর ঐকমত্য জরুরি উজাড় হচ্ছে কক্সবাজার ও বান্দরবানের বনাঞ্চল পণ্য ও সেবা বাণিজ্যে আমদানি ব্যয় বাড়লেও বাড়েনি রপ্তানি আয় রিভিউ আবেদন তৈরি করছে ১১ আইন বিশেষজ্ঞের কমিটি বাড়ি থেকে নকলা উপজেলা চেয়ারম্যানের লাশ উদ্ধার ঢাবি'র ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ৩ হারিয়ে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘ধামের গান’ ২ লাখ ২৪ হাজার রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন নারায়ণগঞ্জে ডকইয়ার্ডে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪ শ্রমিক চট্টগ্রামে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত দিনভর বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত মেহেরপুরের ১৪৫ স্কুলের নলকূপে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক তরুণদের কাজে লাগাতে সৃজনশীল কর্মসূচি হাতে নিয়েছে যুবলীগ বগুড়ায় ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ভাই-ভাবি খুন জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম নগরী তৈরিতে সবার সহযোগিতা চাই: নাছির এশিয়া কাপ হকিতে বিকেলে জাপানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ সীতাকুন্ডে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, নিহত ২ আফগানিস্তানে ড্রোন হামলায় পাকিস্তানের জঙ্গি নেতা নিহত

বাঙালি সংস্কৃতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু

প্রকাশিত: ০৯:১০ , ০৭ আগস্ট ২০১৭ আপডেট: ০৯:১০ , ০৭ আগস্ট ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতিকে স্থায়ীভাবে প্রাতিষ্ঠানিক  রূপ দেওয়া ছিলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অন্যতম বড় প্রচেষ্টা। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ঘরে ঘরে নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশের  টেকসই পরিবেশ গড়ে ওঠে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে শুধু সেই সম্ভাবনারই মৃত্যু ঘটেনি, বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতিকে কবর দেওয়ার অপচেষ্টা চলে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম। তার ভেতরেও দেশের মানুষ যেন কখনো নিজস্ব সংস্কৃতির শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়, সেজন্য শুরু থেকেই উদ্যোগী হন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী বলেন, “বাংলার লোকজ সংস্কৃতিকে তুলে আনা এবং চর্চা করার জন্য বঙ্গবন্ধু ভীষণভাবে আগ্রহী ছিলেন।”

আরেক মুক্তিযোদ্ধা এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব জিয়াউদ্দিন তারিক আলী বলেন, “বঙ্গবন্ধুর লোকজ সংস্কৃতির প্রতি টান আরও প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর রবীন্দ্র চেতনার কারণে। বঙ্গ সংস্কৃতি প্রসার এবং সম্প্রসারের জন্য তিনি প্রথমেই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী গঠন করেছিলেন। ”

শিল্প, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সৃজনশীল মানুষের চিন্তা ও কাজের স্বাধীনতা একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত। বঙ্গবন্ধুর বিশালতা সেক্ষেত্রেও দেখেছেন প্রবীন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ড বাংলা ও বাঙালির  অসাম্প্রদায়িক, উদারনৈতিক ও সহনশীল সংস্কৃতির উপর ছিল এক পরিকল্পিত আক্রমণ।

এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী বলেন, “বঙ্গবন্ধু হত্যা হওয়ার সাথে সাথেই এদেশের সংস্কৃতি মন ভেঙে গেছে।”

“৭২ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো ধরনের মিডিয়াতে উর্দু শব্দ বা উর্দু গজল অথবা উর্দু কবিতা প্রচারিত হয়নি” বলেন  জিয়াউদ্দিন তারিক।

শুধু সংগীত বা সাহিত্য চর্চাই নয়, বাঙালির চিরায়ত জীবনাচরণের যে সংস্কৃতি-সেখানেও কুঠারাঘাত হানে বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকারীদের গোষ্ঠী। বিশ্লেষকদের মতে, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করাটাই ছিলো বাঙালি সংস্কৃতি বহির্ভূত ও বিরোধী কাজ।

এই সম্পর্কিত আরো খবর

নির্বাচন বিশ্লেষকদের অভিমত

ইসিকে দেয়া প্রস্তাব বাস্তবায়নে দলগুলোর ঐকমত্য জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কমিশনের সাথে সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যে সব প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়নে তাদের...

আওয়ামী লীগের ১১ দফা সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায় : বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচন কমিশনের সাথে সংলাপে আওয়ামী লীগের দেয়া ১১ দফা প্রস্তাব গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায় বলে মন্তব্য করেছে...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is