গুয়ামে হামলা হলে উ. কোরিয়ার পরিণতি হবে মারাত্মক: ট্রাম্প আপডেট: ০৮:১৮, ১২ আগস্ট ২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি গুয়ামে হামলা চালালে উত্তর কোরিয়াকে মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গুয়ামে উত্তর কোরিয়ার হামলা পরিকল্পনার জবাবে শুক্রবার নিউজার্সিতে এ কথা বলেন তিনি।

এদিকে, এ পরিস্থিতিতে চীনা প্রেসিডেন্ট ও গুয়াম গভর্নরের সাথে ফোনে কথা বলেছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে, দু’দেশের মধ্যে বাগ্যুদ্ধে উদ্বেগ জানিয়েছেন বিশ্বনেতারা। এই তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।  

যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনার পারদ ক্রমেই বেড়ে চলেছে। সম্প্রতি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি গুয়ামে হামলা চালানোর হুমকি দিলে উত্তর কোরিয়ার সাথে নতুন করে তিক্ততার সৃষ্টি হয় যুক্তরাষ্ট্রের। এরপর থেকে পিয়ংইয়ংয়ের উদ্দেশ্যে বাক্যবাণ অব্যাহত রেখেছেন মাার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার নিউজার্সিতে নিজের গল্ফ রিসোর্টে তিনি বলেন, গুয়ামে হামলার হুমকিকে বাস্তবে পরিণত করলে উত্তর কোরিয়াকে মারাত্মক পরিণতি ভোগ করতে হবে। দেশটির ওপর আরও কঠোর অবরোধ আরোপের পরিকল্পনার কথাও জানান ট্রাম্প।

এদিকে, উত্তর কোরিয়ার হুমকিতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় মার্কিন দ্বীপটির জনগণের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেক পর্যটক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত এলাকাটি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে, গুয়ামকে সুরক্ষিত রাখা হবে বলে দ্বীপটির গভর্নর এডি ক্যালভোকে ফোনালাপে আশ্বস্ত করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।  

চলমান পরিস্থিতিতে শুক্রবার রাতে উত্তর কোরিয়ার মিত্র দেশ চীনের প্রেসিডেন্টের সাথে টেলিফোনে কথা বলেছেন ট্রাম্প। এসময় তিনি বলেন, আগামী সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের বাণিজ্যে অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করবে তার প্রশাসন।  

এদিকে, হামলা মোকাবেলায়  চারটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে যে কথার লড়াই চলছে, তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাশিয়া, জার্মানি ও চীন। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে শান্তি স্থাপনে উদ্যোগ নিতে অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহবান জানান রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। আর, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল বলেন, এসব কথার লড়াই কোনো সমাধান আনতে পারে না। এছাড়া, শব্দচয়নে আরও সর্তক হতে উভয় পক্ষকে আহবান জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার মিত্র চীন।