দিনে দু’বার ডুবে আগ্রাবাদ ও হালিশহর

প্রকাশিত: ০৮:২৯, ০৩ আগস্ট ২০২১

আপডেট: ০৯:১১, ০৩ আগস্ট ২০২১

মহসিন চৌধুরী: বৃষ্টি নামতে হয়না, সাগরের একটু উঁচু জোয়ারেই দিনে দু’বার প্লাবিত ও জলাবদ্ধ হয় চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ, হালিশহর ও আশপাশের এলাকা। রাস্তাঘাট ও বাড়ির নীচতলা কয়েকঘন্টা পানির নিচে থাকে। মহেশখালের দখল, দূষণ, সংকোচন আর অপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা এই দুর্ভোগের কারণ বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা। আর নগরীর দুই সংস্থা- সিটি কর্পোরেশন ও সিডিএ দুষছে পরস্পরকে।

চট্টগ্রাম মহানগরীকে জোয়ারের পানি থেকে রক্ষা করতে মহেশখালের উপর ২০১৬ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ বাঁধ নির্মাণ করার পর জলাবদ্ধতা আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে। জনতার চাপে পরের বছরই বাঁধটি কেটে দেয়া হয়। কিন্তু পরিস্থিতি বদলায়নি।

নগরীর বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকা আগ্রাবাদ, হালিশহর, সল্টগোলা, নিমতলা, বড়পুল ও আশপাশের এলাকার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ ১৬ কিলোমিটার ধীর্ঘ মহেশখাল। বর্তমানে দখল ও  দুষণে এর অস্তিত্ব বিলীনের পথে। কর্ণফুলী নদীর জোয়ার আসলেই তলিয়ে যায় নগরীর এই অংশের ৮টি ওয়ার্ড। সাথে বৃষ্টি যোগ হলে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

আগ্রাবাদ এলাকার জলাবদ্ধতার এই চিত্র দিন দিন আরো বাড়ছে। এ অবস্থার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষ পরস্পরকে দোষারোপ করে।

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৫টি খালে রেগুলেটর বসাচ্ছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্র্তৃপক্ষ। কিন্তু মহেশখাল উদ্ধার ও পানিপ্রবাহ বাড়াতে না পারলে জলাবদ্ধতা কাটবে না বলে মনে করেন নগরবাসী।
 

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...