ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর ২০১৭, ৬ কার্তিক ১৪২৪, ৩০ মহাররম ১৪৩৯
শিরোনামঃ
ইসিকে দেয়া প্রস্তাব বাস্তবায়নে দলগুলোর ঐকমত্য জরুরি উজাড় হচ্ছে কক্সবাজার ও বান্দরবানের বনাঞ্চল পণ্য ও সেবা বাণিজ্যে আমদানি ব্যয় বাড়লেও বাড়েনি রপ্তানি আয় রিভিউ আবেদন তৈরি করছে ১১ আইন বিশেষজ্ঞের কমিটি বাড়ি থেকে নকলা উপজেলা চেয়ারম্যানের লাশ উদ্ধার ঢাবি'র ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ৩ হারিয়ে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী ‘ধামের গান’ ২ লাখ ২৪ হাজার রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন নারায়ণগঞ্জে ডকইয়ার্ডে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৪ শ্রমিক চট্টগ্রামে বন্দুকযুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ী নিহত দিনভর বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত মেহেরপুরের ১৪৫ স্কুলের নলকূপে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক তরুণদের কাজে লাগাতে সৃজনশীল কর্মসূচি হাতে নিয়েছে যুবলীগ বগুড়ায় ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ভাই-ভাবি খুন জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম নগরী তৈরিতে সবার সহযোগিতা চাই: নাছির এশিয়া কাপ হকিতে বিকেলে জাপানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ সীতাকুন্ডে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, নিহত ২ আফগানিস্তানে ড্রোন হামলায় পাকিস্তানের জঙ্গি নেতা নিহত

বরগুনার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট: বিঘ্নিত স্বাস্থ্যসেবা

প্রকাশিত: ০৮:০৫ , ১৩ আগস্ট ২০১৭ আপডেট: ০৮:০৫ , ১৩ আগস্ট ২০১৭

বরগুনা প্রতিনিধি: বরগুনার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রসহ সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক সংকটে বিঘ্নিত হচ্ছে প্রসূতি মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসক না থাকায় মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে প্রসূতির অস্ত্রোপচার সম্ভব হচ্ছে না।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল ও পাঁচ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও নেই যথেষ্ট গাইনি ও অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসক। ফলে সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।

বরগুনা জেলা সদরে ২০০০ সালে স্থাপিত হয় ২০ শয্যার মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন অ্যানেসথেশিয়া, একজন গাইনি চিকিৎসক এবং চারজন স্বাস্থ্য পরিদর্শকের পদ রয়েছে। তবে অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসকের পদটি আজ আট বছর ধরে শূন্য।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ জানিয়েছে, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা থাকার পরও কেবলমাত্র অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসক সংকটে মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে প্রসূতির অস্ত্রোপচার করা যাচ্ছে না, যদিও বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে বার বার জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল ও পাঁচ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও নেই অন্তঃসত্ত্বা নারীদের জন্য গাইনি ও অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসক।

বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জানান, দুজন গাইনি বিশেষজ্ঞ ও একজন অ্যানেসথেশিয়া চিকিৎসকের পদ থাকলেও, রয়েছেন মাত্র একজন। চিকিৎসক সংকট কাটাতে মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ অবস্থায় বিনামূল্যের সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে রোগীদের বাধ্য হয়েই যেতে হচ্ছে বেসরকারি ক্লিনিকে। বরগুনা অঞ্চলের মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে জেনারেল হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসকদের শূন্য পদ শিগগিরই পূরণের দাবি জানালেন স্থানীয়রা।
 

এই সম্পর্কিত আরো খবর

দিনাজপুর ও নেত্রকোনায় আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণে চাষিরা দিশাহারা

ডেস্ক রিপোর্ট: দিনাজপুর ও নেত্রকোনায় আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ ও রোগ-বালাইয়ের কারণে দিশাহারা কৃষকরা। আমন চাষে বাড়তি খরচের কারণে লোকসানের...

‘গর্ভকালীন মায়ের জন্য রক্ত প্রয়োজন’-স্লে­াগানে চট্টগ্রামে ক্যাম্পেইন

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘গর্ভকালীন মায়ের জন্য রক্ত প্রয়োজন’- স্লে­াগানে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is